ভাইস চেয়ারম্যান পপির বয়স বৃদ্ধি, তদন্তে ইসি
উত্তরদক্ষিণ । শনিবার, ২২ জুন, ২০২৪, আপডেট ১৫:০০
জাতীয় পরিচয়পত্র, শিক্ষাসনদ, পাসপোর্ট, ভোটার তালিকা ও ফেসবুক—সবকিছুর জন্মতারিখ অনুযায়ী পপি খাতুনের বয়স ২২। কিন্তু উপজেলা নির্বাচনের আগে জন্মতারিখ সংশোধন করে রাতারাতি পপির বয়স বেড়ে দাঁড়ায় ২৬ বছরে।
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) পপি খাতুন যেদিন সংশোধনের আবেদন করেন, তার পরদিনই বয়স বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এর দুই দিন পর রাজশাহীর পবা উপজেলা নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দাখিল করেন এবং ২৯ মে নির্বাচনে জয়ীও হন তিনি।
ঘটনার তদন্তে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (প্রবাসী ও নিবন্ধন) মো. আব্দুল মমিন সরকারকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। বুধবার (১৯ জুন) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের পরিচালক (অপারেশনস) মো. ফরহাদ হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। চিঠির অনুলিপি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ও শাখায় দেওয়া হয়েছে।
কমিটির সদস্যসচিব জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মুদ্রণ ও বিতরণ শাখার উপপরিচালক (চ.দা.) এ এস এম ইকবাল হাসান এবং জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের সহকারী প্রোগ্রামার (উপাত্ত ব্যবস্থাপনা শাখা) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানকে সদস্য করা হয়েছে।

চিঠিতে কমিটির সদস্যদের ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, ‘প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী রাজশাহী জেলার পবা উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী পপি খাতুনের জাতীয় পরিচয়পত্র রকেটের গতিতে সংশোধনসহ সামগ্রিক বিষয়।’
রাজশাহী আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এদিকে সংবাদ প্রকাশের পর দিন ১৩ জুন পপি খাতুনের বিরুদ্ধে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন পরাজিত ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মোসা. চেনবানু। এতে বয়স জালিয়াতির অভিযোগ তুলে পপির প্রার্থিতা বাতিলের দাবি জানান তিনি।
ইউডি/কেএস

