অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে আফগানিস্তানের ইতিহাস
উত্তরদক্ষিণ । রবিবার, ২৩ জুন, ২০২৪, আপডেট ১২:৩০
এই ম্যাচে জিতে অস্ট্রেলিয়ার সামনে সুযোগ ছিল সেমিফাইনাল নিশ্চিতের। তাতে আশার আলো হয়ে দেখা দিয়েছিলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তবে শেষমেশ আর আশা পূর্ণ হলো না। আফগানিস্তানের দুর্দান্ত বোলিং-ফিল্ডিংয়ের কাছে হার মানতে হলো অজিদের। ২১ রানের জয়ে সেমির স্বপ্ন বেঁচে রইলো আফগানদের। সেই সঙ্গে সেমিফাইনালের জন্য অপেক্ষা বাড়লো মিচেল মার্শের দলের।
রবিবার (২৩ জুন) কিংসটাউনে আর্নস ভ্যালে স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ইব্রাহিম জাদরান ও রহমানুল্লাহ গুরবাজের ফিফটিতে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৮ রান করে আফগানিস্তান। জবাব দিতে নেমে আফগানিস্তানের বোলিং তোপে ও দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ে ১৯.২ ওভারে ১২৭ রানেই গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
রান তাড়ায় নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। নাভিন-উল-হকের করা ইনিংসের প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই ট্রাভিস হেড শূন্য রানে ফেরেন। ফুল লেংথে পিচ করা বলটা বুঝতেই পারেননি হেড। মারাত্নক সুইং করে ব্যাট-প্যাডের ফাঁক গলে ভেতরে ঢুকে যায় বল, এলোমেলো হয়ে যায় স্টাম্প।
হেডের বিদায়ে ক্রিজে আসেন মিচেল মার্শ। ফজল হক ফারুকির করা দ্বিতীয় ওভারে দুই চারে পরিবেশ কিছুটা হালকা করার চেষ্টা করেন মার্শ। তবে নাভিনের পরের ওভারেই আক্রমণ করতে গিয়ে সাজঘরে ফিরতে হয় তাকে। আফগান পেসারের স্লোয়ার ডেলিভারি হাঁকাতে গিয়ে আকাশে তুলে দেন ১২ বলে ৩ রান করা অজি অধিনায়ক। অনায়াসে বল তালুবন্দি করেন মিড অফে দাঁড়ানো মোহাম্মদ নবী।
এরপর ম্যাক্সওয়েলকে নিয়ে দলকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন ডেভিড ওয়ার্নার। তবে পাওয়ারপ্লে’র শেষ ওভারেই বাঁধে বিপত্তি। নূর আহমেদের লেগ স্পিনে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে স্টাম্প হারান ৩ রান করা ওয়ার্নার। পাওয়ারপ্লে’তে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর দাঁড়ায় ৩৩-৩!
ম্যাক্সওয়েল আউট হতেই যেন শনির দশা ভর করে অজি ব্যাটারদের ভাগ্যে। রশিদ খানের বলে করিম জানাতকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ৫ রান করা ম্যাথু ওয়েড। এরপর গুলবাদিন ফেরান ৩ রান করা কামিন্সকে। একই পথ ধরে ফিরে যান ২ রান করা আগার। দুর্দান্ত ক্যাচে তাকে ফেরান গুলবাদিন। তাতে পথ আরও কঠিন হয়ে যায় অজিদের জন্য। আলিঙ্গন করতে হয় হারের বেদনা।
আগফাগানিস্তানের পক্ষে ৪ ওভারে ২০ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন গুলবাদিন। ৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে ৩টি উইকেট দখল করেন নাভিন। এ ছাড়া ১টি করে উইকেট ঝুলিতে পুরেন ওমরজাই, নবী ও রশিদ। বাকিরাও মাপা বোলিং করেন।
ইউডি/কেএস

