শাপলা চত্বর মামলা: দীপু মনি, মোজাম্মেল বাবু, রুপাকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ
উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার, ০৭ মে, ২০২৬, আপডেট ১৬:১২
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, একাত্তর মিডিয়া লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু এবং একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপাকে ১৪ মে ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই আদেশ দেন। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন এই ট্রাইব্যুনালের আজ অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
দীপু মনি, মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রুপা ইতোমধ্যে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন। প্রসিকিউশনের (রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই তিনজনকে ১৪ মে ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে বলেছেন ট্রাইব্যুনাল।
পরে ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ের ব্রিফিং করেছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘৫ মে শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞের সময় ‘একাত্তর টিভি’ পরিকল্পিতভাবে সত্য আড়াল ও ঘটনা ভিন্নখাতে নেয়ার চেষ্টা করে। এ সময় যারা ইন্টারনেট ও টেলিভিশন বন্ধসহ বিভিন্ন বিতর্কিত ভূমিকা রেখেছিলেন, তাদের প্রত্যেককেই বিচারের আওতায় আনা হবে।’
তিনি বলেন, ‘সেদিন হেফাজতের সমাবেশে রাতের অন্ধকারে নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়। কিন্তু সে ঘটনায় তান্ডব চালানোর অভিযোগে উল্টো হেফাজত কর্মীদের বিচারের মুখোমুখি হতে হয়। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর হেফাজতের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করে তদন্ত সংস্থা।’
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘হেফাজতে হত্যাযজ্ঞের দিন ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয়া হয়। শুধু তাই নয়, বন্ধ করা হয় দুটি বেসরকারি টেলিভিশনও। চিফ প্রসিকিউটর বললেন এসবে যারা ছিল তারা সবাই আসামি হবেন। ৭ জুনের আগে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দেয়া হবে ‘
বৃহস্পতিবার সকালে হেফাজত নেতারা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের সাথে দেখা করেন। এ সময় তারা বলেন, ৫ মে নিহতের সংখ্যা অনেক বেশি।
ইউডি/রেজা

