চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের পুনর্বহালের দাবি
উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৪, আপডেট ২৩:৪৫
ঢাকার পিলখানায় ১৫ বছর আগে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদরদপ্তরে রক্তাক্ত বিদ্রোহের যে ঘটনা সারা বাংলদেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল, তাকে ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ আখ্যায়িত করে চাকরিচ্যুত সকল সদস্যকে বর্তমানে বিজিবিতে পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে বিডিআর কল্যাণ পরিষদ।
পরিষদের উপদেষ্টা ফখরুল ইসলাম বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নয় দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো স্মরকলিপি আকারে প্রধান উপদেষ্টার কাছে দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে ফখরুল ইসলাম বলেন, সেনাবাহিনীর সামর্থ্য ক্ষুণ্ন করতে, বিডিআরকে ধ্বংস করতে সেসময় পরিকল্পিতভাবে এই হত্যার ঘটনা ঘটানো হয়। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে তথাকথিত বিদ্রোহ সংজ্ঞায়িত করে ১৮ হাজার ৫২০ জন বিডিআর সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি প্রদান করা হয়।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদরদপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোড়ন তোলে ওই ঘটনা।
বিডিআরের দরবার হল থেকে সূচনা হওয়া ওই বিদ্রোহের ইতি ঘটে নানা ঘটন-অঘটনের মধ্য দিয়ে পরদিন। পিলখানায় বিদ্রোহের মধ্যেই দেশের বিভিন্ন স্থানে জওয়ানরাও বিদ্রোহ করে।
সেই বিদ্রোহের পর সীমান্ত রক্ষা বাহিনী বিডিআরের নাম বদলে যায়, পরিবর্তন আসে পোশাকেও। এ বাহিনীর নাম এখন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি।
ইউডি/এবি

