সবজির দাম স্থিতিশীল, আমিষের বাজার চড়া
উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৪, আপডেট ২৩:৫৫
আলু ও পেঁয়াজের দামে পরিবর্তন নেই। তবে কমেছে কাঁচা মরিচের দাম। শাক-সবজিসহ বিভিন্ন কাঁচা পণ্যের দামে খুব বেশি হেরফের না হলেও সপ্তাহ ব্যবধানে বেড়ে গেছে মাছ, মুরগি ও ডিমের দাম।
শুক্রবার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, টাউন হল মার্কেট ও হাতিরপুল বাজার ঘুরে দেখা যায় এ চিত্র।
বাজারে এখনও প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। কমেনি দেশি পেঁয়াজের দামও; প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। তবে আমদানির কারণে সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে কাঁচা মরিচের। বাজারভেদে ২০-৫০ টাকা কমে এটি কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ১৮০-২০০ টাকায়।
অন্যান্য সবজির দাম গত সপ্তাহের মতোই আছে। প্রতি কেজি বেগুন ১০০ টাকা, করলা ৭০-৮০ টাকা ও বরবটি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ঢ্যাঁড়শ ৪০টাকা, পেপে ৫০টাকা, শসা ৫০টাকা এবং পটল বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকায়। তবে সিম বাজারে নতুন হওয়ায় দাম অনেকটাই চড়া; প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকায়।
এদিকে, প্রায় প্রতিটি বাজারেই আমিষের দাম বাড়তি দেখা গেছে। ফার্মের মুরগির ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা বেড়ে গেছে; বিক্রি হচ্ছে ১৫৫-১৬০ টাকায়।
সপ্তাহ ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দামও প্রতি কেজি ১০ টাকা বেড়েছে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ১৬০-১৭০ টাকা; এখন ১৭০-১৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে সোনালি মুরগির দাম ২৪০-২৫০ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে।
কেজিতে ২০-৪০ টাকা বেড়েছে সব ধরনের মাছের দাম। বাজারে প্রতি কেজি রুই বিক্রি হচ্ছে ৩৬০-৩৮০ টাকায়, পাঙাশ ২০০-২২০ টাকায়, কৈ ২৪০-২৮০ টাকায়, শিং প্রতি কেজি ৫৫০-৬০০ টাকায়, পাবদা প্রতি কেজি ৫০০-৫৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। আর চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। এক কেজির ইলিশ ১৮০০-২০০০ টাকা ও হাফ কেজির ইলিশ ১৪০০-১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাছের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, বন্যায় বেশকিছু অঞ্চলে চাষিদের মাছ ভেসে গেছে। ফলে বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় সব ধরনের মাছের দাম কিছুটা বাড়তি।
বাজারগুলোতে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০-৮০০ এবং খাসির মাংস ১০৫০-১১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটে আমিনুর রহমান নামে এক ক্রেতা বলেন, কেনাকাটার তালিকা নিয়ে এসে দেখি বাজারে দামের হেরফের। কখন কোনটা বাড়ছে, আর কখন কোনটা কমছে তা বাজারে না এলে বোঝা যায় না। তার মতে, চাঁদাবাজি কমে গেলেও বাজারে তার প্রভাব কেন নেই — তা ঠিকমতো তদারকি হওয়া দরকার।
ইউডি/এবি

