পুঁজিবাজার: সূচক বাড়লেও দরপতনে কমল বাজার মূলধন
উত্তরদক্ষিণ। রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর), ২০২৪, আপডেট ১৮:৫০
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে পুঁজিবাজারে বেশিরভাগ কোম্পানির দরপতনে বাজার মূলধন ২১ কোটি টাকার বেশি কমলেও সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১৯ পয়েন্টের কাছাকাছি।
সংস্কারের রোডম্যাপ প্রণয়নে অংশীজনদেরকে নিয়ে বৈঠক আহ্বানের মধ্যে সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) পুঁজিবাজারের এই পরিস্থিতিতে বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী আরও আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে।
১৫৩টি কোম্পানির দর বৃদ্ধির বিপরীতে এদিন কমেছে ২০৫টির দর। ৩৯টি লেনদেন হয়েছে আগের দিনের দরে।
আগের সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে ৯৭ পয়েন্ট সূচক পতনে বাজার মূলধন কমেছির ৩ হাজার ৬৫১ কোটি টাকার বেশি।
কেবল একটি কোম্পানি দর বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমা ছুঁয়ে লেনদেন শেষ করেছে, অন্যদিকে ১৪টি কোম্পানির দরপতন হয়েছে সার্কিট ব্রেকার ছুঁয়ে।
দরপতনের কারণে বিনিয়োগকারীরা নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দ্বিতীয়বারের মত লেনদেন নামল পাঁচশ কোটি টাকার নিচে।
বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দরপতনেও সূচক বেড়েছে মূলত তুমুল আলোচনায় থাকা ইসলামী ব্যাংক, খান ব্রাদার্স, পাওয়ার গ্রিড, মবিল যমুনা, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, বেক্সিমকো ফার্মা, ন্যাশনাল ব্যাংক, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলস, লাফার্জ হোলসিম সিমেন্ট ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের দর বৃদ্ধির কারণে।
বৃহস্পতিবার বড় দরপতনের কারণ ছিল এক দিনে ২৭ প্রতিষ্ঠানকে ‘জেড’ শ্রেণিতে পাঠানো। লভ্যাংশ না দেওয়া, ঘোষিত লভ্যাংশ বিতরণ করতে না পারা, বার্ষিক সাধারণ সভা না করাসহ বিভিন্ন কারণে এই সিদ্ধান্ত নেয় বুধবার।
এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার শেয়ারের দরপতনের পাশাপাশি লেনদেন নামে ৫৩০ কোটি টাকার ঘরে, সেটি আরও কমে হয়েছে ৪৮১ কোটি টাকায়।
গত ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ১৮ অগাস্ট লেনদেন ছিল এর চেয়ে কিছুটা কম। সেদিন ৪৮০ কোটি ৮৯ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছিল।
ইউডি/এবি

