তিন বাহিনীর কর্মকর্তারাই পেলেন ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা
উত্তরদক্ষিণ। সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর), ২০২৪, আপডেট ২৩:৪৫
সেনাবাহিনীর পাশাপাশি নৌ ও বিমান বাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদেরও গ্রেপ্তার ও বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার মত সুযোগ দিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দিয়েছে সরকার।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক আদেশে জানিয়েছে, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর কমিশন্ড অফিসারদের (সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ও তদুর্ধ্ব সমপদমর্যাদার) ৬০ দিনের জন্য এ ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনীর কমিশন পাওয়া কর্মকর্তাদের সারাদেশে দুই মাসের জন্য ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল সরকার। সোমবারের নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর পাশাপাশি বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীর কমিশন্ড কর্মকর্তারাও ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
ফৌজদারি কার্যবিধির যে ১৭ নম্বর ধারায় সেনা কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, তাতে তারা নির্বাহী হাকিম হিসেবে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অর্থাৎ জেলা প্রশাসকের অধীনে থাকবেন।
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ এবং ১৪২ ধারার অধীনে তাদের কার্যক্রম চলবে বলে জানানো হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
এসব ধারায় গ্রেপ্তার ও গ্রেপ্তারের আদেশ, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করা, তল্লাশি পরোয়ানা জারি, অসদাচরণ ও ছোটোখাটো অপরাধের জন্য মুচলেকা আদায়, মুচলেকা থেকে অব্যাহতি, বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ, স্থাবর সম্পত্তি ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বাধা অপসারণ এবং জনগণের ক্ষতির আশঙ্কা করলে সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ বিভিন্ন ক্ষমতা প্রয়োগের সুযোগ রয়েছে।
ইউডি/এবি

