গার্মেন্টস শিল্পের সুনাম নষ্টকারী মালিকদের কালো তালিকাভুক্তির দাবি

গার্মেন্টস শিল্পের সুনাম নষ্টকারী মালিকদের কালো তালিকাভুক্তির দাবি

উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর , ২০২৪, আপডেট ১৫:০৫

বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি গার্মেন্টস শিল্পের সুনাম নষ্টকারী গার্মেন্টস মালিকদের কালো তালিকাভুক্ত করার দাবি জানিয়েছে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন। পাশাপাশি তাদের গ্রেপ্তার, সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও শ্রমিকদের বেতন পরিশোধের দাবিও জানানো হয়।

শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত ‘গার্মেন্টস শ্রমিক বিক্ষোভ’ থেকে এই দাবি জানানো হয়।

ফেডারেশনের সভাপতি আমিরুল হক আমিনের সভাপতিত্বে র‍্যালি পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি মিসেস জেসমিন আক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. কবির হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মো. রিয়াদ হোসেন, সিবিএ সম্পাদক মো. কাশেম, কেন্দ্রীয় নেত্রী মিস ক্যামেলিয়া হাসান, মিস সুরাইয়া জেসমিন রুমা, মিসেস মনিরা মুন্নি প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, আশির দশকে হাতেগোনা গার্মেন্টস কারখানা দিয়ে বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের শুরু। আজ এই শিল্প বিশ্ববাজারে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে নিয়েছে। দেশের মোট রপ্তানির ৮৪ শতাংশ পূরণ করে গার্মেন্টস শিল্প। অথচ আমরা ইদানিং দেখছি প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো গার্মেন্টস এলাকায় শ্রমিকেরা রাস্তায় নামছে, রাস্তা অবরোধ করছে যা ফলাও করে প্রচার হচ্ছে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রচার মাধ্যমে। প্রায় সব স্থানেই শ্রমিকদের এই অবরোধের কারণ বেতন ভাতা পরিশোধ না করা। এতে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্পের সুনাম নষ্ট হচ্ছে, রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে ইতিমধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি কমেছে ৬ শতাংশ ।

তারা বলেন, গত কয়েকদিন থেকে গাজীপুরের টিএনজেড অ্যাপারেলস লিমিটেড, বেসিক ক্লোথিংলিমিটেড, অ্যাপারেলস প্লাস ইকো, বেসিক নীটওয়্যার লিমিটেড, অ্যাপারেল আর্ট লিমিটেড ও এইচডিএফ অ্যাপারেলস লিমিটেড, নারায়ণগঞ্জে ক্রোনী গ্রুপের অবন্ধী কালার টেক্স লিমিটেডসহ বিভিন্ন শিল্প এলাকায় গার্মেন্টস শ্রমিকেরা বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবি করে রাস্তা অবরোধ করে আন্দোলন করছে। কয়েকদিন আগে আশুলিয়ার বার্ডস গার্মেন্টসে একই কারণে শ্রমিক অসন্তোষে আশুলিয়া অঞ্চল বেশ কয়েকদিন অবরুদ্ধ থাকে। অধিকাংশ মালিকই গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ-এর মালিক। এদের অধিকাংশ কানাডা, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ায় একাধিক বাড়ি আছে, বিদেশি ব্যাংকে টাকা জমানো আছে, এমনকি দেশে নামে বেনামে প্রচুর সম্পদ রয়েছে। অন্যদিকে যেসব কারখানার শ্রমিকেরা বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবিতে আন্দোলন করছে। দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান বক্তারা।

ইউডি/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading