৭ গোলের থ্রিলার জিতে ম্যানইউকে বিদায় করল টটেনহাম
উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪, আপডেট ১২:৩০
কারাবাও কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে গতকাল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল টটেনহাম হটস্পার। ম্যানইউয়ের বিপক্ষে এই ম্যাচে মাঠে নামার আগে আঙ্গে পোস্তেকোগুলু দাবী করেছিলেন, টটেনহামের কোচ হিসেবে তার কাজটা প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও বেশি কঠিন। আর এই কঠিন কাজে গতকালের ম্যাচের শেষ হাসি হেসেছেন পোস্তেকোগুলোই। রেড ডেভিলদের বিপক্ষে তার শিষ্যরা জয় পেয়েছে ৪-৩ গোলে।
ম্যাচের আগে টটেনহাম কোচ বলেন, ‘জীবনের যে কোনো কিছুর চেয়ে প্রিমিয়ার লিগে কোচিং করানোটা বেশি কঠিন। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার কয়বার করে নির্বাচন করেন? আমাকে প্রতি সপ্তাহান্তেই একবার করে নির্বাচন করতে হয়, কখনো আমি ভোট পাই, কখনো পাই না।’
পোস্তেকোগুলো প্রতিবার ভোট না পেলেও গতকালের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ঠিকই পেয়েছেন। তবে ম্যানইউয়ের বিপক্ষে ম্যাচে জয় এসেছে বেশ নাটকীয়তার পর। ম্যাচের ৫৪ মিনিট পর্যন্ত ভূমিধ্বস জয়ের দিকেই এগোচ্ছিল স্পার্সরা।
ডমিনিক সোলাঙ্কির জোড়া গোল আর দেজান কুলুসেভস্কির গোলে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল টটেনহাম। বড় জয়ে সেমিফাইনালে নিশ্চিত করবে স্পার্সরা এমনটাই ধারণা করা হচ্ছিল তখনো। তবে ম্যানইউ প্রত্যাবর্তন করে কিছুক্ষণ পরেই। ৬৩ মিনিটে জশুয়া জার্কজি আর এর ৭ মিনিট পর আমাদ দিয়ালো গোল করে রেড ডেভিলদের ম্যাচে ফেরান।
ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে আগের ম্যাচেও শেষ মুহূর্তে দুই গোল করে জয় পেয়েছিল ইউনাইটেড। এ ম্যাচেও রেড ডেভিলরা এমন কিছুই করবেন আতি হয়তো ধারণা করছিলেন সমর্থকরা। তবে ৮৮ মিনিটে স্পার্সের হয়ে স্কোরলাইন ৪-২ করেন সন হিউন মিন।
তবে ম্যাচে নাটকীয়তার যেনো তখনো বাকি। অতিরিক্ত সময়ের ৪ মিনিটে ম্যানইউয়ের হয়ে গোল করেন জণি ইভান্স। তবে ইভান্সের এই গোল আশা জোগালেও শেষ পর্যন্ত জেতাতে পারেনি ম্যানইউকে। ৪-৩ গোলের জয়ে শেষ চার নিশ্চিত করে টটেনহাম। এমন জয়ের পর তাই স্পার্সদের কোচ প্রশ্নই করে বসেন, ‘আপনারা কি আনন্দ পাননি?’

