‘মেসিকে ঈর্ষা করত’ প্রসঙ্গে নেইমারকে এমবাপের জবাব
উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৫, আপডেট ০৮:২০
পিএসজিতে আগে থেকেই ছিলেন নেইমার জুনিয়র ও কিলিয়ান এমবাপে। ফরাসি জায়ান্টদের আক্রমণভাগ আরও শাণিত হয় লিওনেল মেসি ক্লাবটিতে যোগ দেওয়ায়। তবে যা ভাবা হয়েছিল তা নয়, আক্রমণে মেসি-নেইমার-এমবাপে থাকার পরও ইউরোপিয়ান মঞ্চে সফলতার দেখা পায়নি পিএসজি। এদিকে সময়ের পরিক্রমায় মেসি, নেইমার, এমবাপেদের কেউই আর পিএসজিতে নেই।
মেসি পাড়ি জমিয়েছেন ইন্টার মিয়ামিতে, নেইমার নাম লিখিয়েছেন আল হিলালে, আর পিএসজির প্রাণভোমরা এমবাপেও এখন আছেন রিয়াল মাদ্রিদে। ক্লাব ছাড়ার এতদিন পর সম্প্রতি নেইমার জানিয়েছেন, মেসি পিএসজিতে যোগ দেয়ার পর থেকেই এমবাপের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে। ,মেসিকে নিয়ে ‘ঈর্ষান্বিত’ ছিলেন এমবাপে, কদিন আগে এমন মন্তব্য করেছেন নেইমার। ব্রাজিলিয়ান তারকার কথার জবাব দিয়েছেন বর্তমানে রিয়াল মাদ্রিদে থাকা এমবাপে।
এমবাপে বলেন, ‘না, সত্যি কথা হল আমার এ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য নেই। এখন আমি যা করছি তার উপর মনোযোগ দেয়ার চেষ্টা করছি। নেইমারের প্রতি আমার অনেক সম্মান রয়েছে।’
‘নেইমার সম্পর্কে আমি অনেক কথা বলতে পারি, কিন্তু বিষয়গুলো সম্পর্কে ইতিবাচক থাকতে চাই। সে বিশ্বের অন্যতম একজন খেলোয়াড় এবং প্যারিসে আমরা অনেক সময় কাটিয়েছি। এখন আমি মাদ্রিদে, এখানে উপভোগ করতে চাই। তার, পরিবার এবং সব বন্ধুদের প্রতি শুভ কামনা।’
কদিন আগে বিশ্বকাপ জয়ী ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোমারিওর সঙ্গে আলাপকালে এক পডকাস্টে নেইমার বলেন, ‘না, সে ওরকম ছিল না। তার সঙ্গে আমার কিছু বিষয় ছিল, সামান্য মনোমালিন্যও হয়েছিল। তবে সে আমাদের ভিত্তি ছিল, আমি তাকে গোল্ডেন বয় বলে ডাকতাম। সবসময় তার সঙ্গে খেলতাম। তাকে বলতাম, সে বিশ্ব সেরাদের একজন হবে। সবসময় তাকে সাহায্য করতাম, অনেক কথা বলতাম, সে আমার বাড়িতে আসত, আমরা একসঙ্গে রাতের খাবার খেতাম।’
নেইমার আরও বলেন, ‘আমরা জুটি গড়ে ভালো কয়েকটি বছর কাটিয়েছি। কিন্তু মেসি আসার পর সে একটু ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়ে…আমাদের মধ্যে লড়াইও হয়, তার আচরণে পরিবর্তন আসে।’
নেইমার আরও বলেন, ‘অহংবোধ থাকা ভালো; কিন্তু আপনাকে বুঝতে হবে যে, একা খেলা যায় না। পাশে আরেকজনকে দরকার পড়বে। (দলে) প্রায় সব জায়গায়ই অহংবোধ ছিল, এভাবে কোনো কিছুই ঠিকঠাক হতে পারে না। কেউ যদি না দৌড়ায় এবং কেউ সাহায্য না করে, তবে কোনো কিছুই জেতা অসম্ভব।’
ইউডি/কেএস

