টঙ্গীতে কারখানার খাবার খেয়ে দেড় শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

টঙ্গীতে কারখানার খাবার খেয়ে দেড় শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৫, আপডেট ১৭:৫০

গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীতে একটি কারখানায় টিফিন খেয়ে শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়েছেন। অসুস্থ শ্রমিকদের টঙ্গী সরকারি হাসপাতাল ও গুটিয়া এলাকার ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে টঙ্গীর সিংবাড়ি মোড় এলাকার বারাকা ফ্যাশন লিমিটেড পোশাক কারখানায় এ ঘটনা ঘটে।

শ্রমিকরা জানান, বৃহস্পতিবার প্রায় ১১ হাজার শ্রমিককে ওভারটাইমে কাজ করানোর জন্য রাখা হয়। রাত ৮টার দিকে কারখানা কর্তৃপক্ষ তাদের খাবার সরবরাহ করে। সাড়ে ৮টার দিকে খাবার বিতরণ করা হয়। খাওয়ার পর অসুস্থ হতে থাকেন শ্রমিকরা। রোগীর সংখ্যা বেশি হতে থাকায় কারখানার ভেতর প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গুটিয়া ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়।

বারাকা ফ্যাশন লিমিটেড কারখানার শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হাসান আলী বলেন, টিফিন খেয়ে অন্তত ১৬৪ জন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থ শ্রমিকদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

মিলি বেগম নামের একজন শ্রমিক বলেন, ‘রাত ৯টার দিকে আমিসহ আমার সঙ্গে থাকা ১১ জন টিফিন খাচ্ছিলাম। হঠাৎ মাথাব্যথা ও বমি শুরু হয়। কিছুক্ষণ পর আমি অচেতন হয়ে গেছি। রাত ২টার পর থেকে অনেকটা সুস্থ।’

বারাকা ফ্যাশন লিমিটেড কারখানার মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা শাকিল আহমেদ বলেন, শ্রমিকরা অসুস্থ হওয়ার পর কারখানার ভেতরেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। অসুস্থ শ্রমিকদের সংখ্যা বাড়লে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

টঙ্গীর সাতাঈশ গুটিয়া ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. কাজী কাশফিয়া তাবাসসুম বলেন, রাত ৩টা পর্যন্ত দেড় শতাধিক রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে অতিরিক্ত চিকিৎসক থাকায় সব রোগী সেবা পাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, দেড় শতাধিক রোগীর মধ্যে তিনজন গর্ভবতী শ্রমিক থাকায় তাদের আলাদা সেবা দেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে গাজীপুর শিল্প পুলিশ পরিদর্শক (টঙ্গী জোন) ইসমাইল হোসেন বলেন, অসুস্থদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অনেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

ইউডি/এআর

ashiqurrahman7863

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading