সংসদ ভবনে যেতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে দাঁড়িয়েছি: হাসনাত
উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, আপডেট ১৯:৫০
গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সংসদ ভবনে যেতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে এসে দাঁড়িয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়েতে ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’র আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন তিনি।
হাসনাত বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ দেড় দশকের আওয়ামী জাহিলিয়া শাসনের পর আজ মুক্ত। যেই সংসদ ভবনকে আমরা মুক্ত করেছি, সেই সংসদ ভবনে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যাওয়ার জন্য মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে এসে দাঁড়িয়েছি।’
৫ আগস্ট দুঃশাসনের কবর রচিত হয়েছে মন্তব্য করে হাসনাত বলেন, ‘এই গণভবনে কে যাবে, তা নির্ধারণ হবে বাংলাদেশ থেকে, ভারত থেকে নয়। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই: এ সংসদে কে যাবে, সেটি নির্ধারণ করবে দেশের খেটে খাওয়া জনতা। এই সংসদের মসনদে কে বসবে, তা নির্ধারণ করবে এই ভূখণ্ডের মানুষ।’
প্রবীণ রাজনীতিবিদদের অভিজ্ঞতা এবং তরুণদের তেজোদীপ্ত ও অকুতোভয় নেতাদের মিথস্ক্রিয়ায় পরবর্তী বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা হবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আমরা একটা জাতি গঠন করতে পারি নাই। ইচ্ছকৃতভাবে বিভাজন সৃষ্টি করে রাখা হয়েছিল। আমরা সুশাসন নিশ্চিত করতে পারি নাই। আমরা স্বাধীন পুলিশ নিশ্চিত করতে পারি নাই।’
হাসনাত বলেন, ‘স্বাধীনতার এত বছর পরও তরুণ প্রজন্মের একটা ইনস্টিটিউশন প্রপারলি ফাংশন করতে দেখি নাই। আমরা প্রতিশ্রুতি দিতে চাই: বিভাজনের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে আমরা একতার রাজনীতি বাংলাদেশে চালু করব।’
এ ভূখণ্ডের অধিকার আদায় করা যায়নি দাবি করে হাসনাত বলেন, ‘বিদেশের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বের সম্পর্ক থাকবে, কোনো প্রেসক্রিপশনের সম্পর্ক থাকবে না।’
এ দেশ থেকে পরিবারতন্ত্র কবরস্থ করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, এ দেশে কামার-কুমারের ছেলে প্রধানমন্ত্রী হবে। যোগ্যতার ভিত্তিতে এ দেশে নেতৃত্ব উঠে আসবে।
পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে আমাদের দেশে ছিল বিচারহীনতার সংস্কৃতি। লগি-বৈঠা থেকে শুরু করে ২০০৯ সালে বিডিআর সদস্যদের ভারতীয় আগ্রাসনের মধ্য দিয়ে কীভাবে হত্যা করা হয়েছে। আপনারা দেখেছেন বিডিআর হত্যাকাণ্ডকে বিদ্রোহ হিসেবে চালানো হয়েছে। আপনারা দেখেছেন শাপলা চত্বরে আমাদের দাড়ি-টুপিওয়ালা ভাইদের ওপর রাতের অন্ধকারে কীভাবে জেনোসাইড চালানো হয়েছে।
ইউডি/এআর

