বিধ্বস্ত মিয়ানমারে পৌঁছালো বাংলাদেশের ত্রাণ

বিধ্বস্ত মিয়ানমারে পৌঁছালো বাংলাদেশের ত্রাণ

উত্তরদক্ষিণ। রবিবার (৩০ মার্চ), ২০২৫, আপডেট ২৩:৩০

ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য বাংলাদেশ থেকে ১৬.৫০ টন ত্রাণ সামগ্রী পাঠানো হয়েছে।

রবিবার (৩০ মার্চ) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর দুটি পরিবহন বিমান জরুরি ত্রাণ সামগ্রীসহ মিয়ানমারের ইয়াংগুনের পৌঁছায়। ১৬.৫০ টন ত্রাণ সহায়তার মধ্যে ছিল শুকনো রেশন, বিশুদ্ধ পানি, খাবার স্যলাইন, তাবু, হাইজিন প্রোডাক্টসহ নিত্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য সামগ্রী।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যে ত্রাণসামগ্রী মিয়ানমারে পাঠানো হচ্ছে তা পরিকল্পিত ত্রাণ সহায়তার একটি অংশমাত্র। পরবর্তীতে মিয়ানমার সরকারের অনুমতি প্রাপ্তি সাপেক্ষে আরও ত্রাণ সহায়তা এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী ও চিকিৎসা সহায়তাকারী দল পাঠানো হবে। উদ্ধার কার্যক্রমের জন্য বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর ২৬ সদস্যের বিশেষজ্ঞ অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স হতে ১০ সদস্যের একটি উদ্ধারকারী দল প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এছাড়া চিকিৎসা সেবা দিতে সেনাবাহিনী হতে ১০ সদস্য এবং অসামরিক ডাক্তারদের সমন্বয়ে ১১ সদস্যের দুটি মেডিকেল টিমও প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ মার্চ মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডে ৭.৭ মাত্রার ভয়াবহ এক ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে মিয়ানমারে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৭০০ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন সাড়ে ৩ হাজারের বেশি মানুষ। মিয়ানমারের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমিকম্পের ফলে খাদ্য, পানি ও বাসস্থান সংকট এবং জরুরি চিকিৎসার অভাবে মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। প্রতিবেশী দেশের এই মানবিক বিপর্যয়ে বাংলাদেশ অত্যন্ত মর্মাহত।

এ অবস্থায় প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে, বাংলাদেশ হতে মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে ত্রাণ সামগ্রী হিসেবে ওষুধ, তাবু, শুকনো খাবার এবং উদ্ধার ও চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য উদ্ধারকারী ও চিকিৎসা সহায়তা দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ইউডি/এআর

ashiqurrahman7863

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading