‘পুলিশ সংস্কার’ আন্দোলনের ঘোষণা এনসিপি ও বৈছাআ’র

‘পুলিশ সংস্কার’ আন্দোলনের ঘোষণা এনসিপি ও বৈছাআ’র

উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার (০৩ জুলাই) ২০২৫, আপডেট ২৩:১৫

এবার পুলিশ বাহিনীর সংস্কার চেয়ে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ।

পটিয়া থানা এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ করে বুধবার দিরভর বিক্ষোভের পর বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহরে সংবাদ সম্মেলন করে নতুন এই আন্দোলনের ডাক দেন তিন সংগঠনের নেতারা। এ দাবিতে তারা সন্ধ্যায় বিক্ষোভ মিছিলও করেন।

মঙ্গলবার রাতে পটিয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশের লাঠিপেটার প্রতিবাদ জানাতে বৃহস্পতিবার এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

জুলাই আন্দোলনে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চট্টগ্রামের অন্যতম সমন্বয়ক এবং বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের (বাগছাস) কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক খান তালাত মাহমুদ রাফি সেখানে বলেন, “এদেশে আবারও জুলাই নেমে আসবে, বীর চট্টলা আবারও ঐক্যবদ্ধ হবে। বাংলাদেশ আবারও ঐক্যবদ্ধ হবে।

“৫ অগাস্টের মত বাংলাদেশের মানুষ আবারও রাজপথে নেমে আসবে। তারা পুলিশের সংস্কার চাইবে, তাদের ভাইদের খুনিদের বিচার চাইবে। যে মা সন্তান হারিয়েছেন, তিনি তার সন্তান হত্যার বিচার চাইবেন।”

পটিয়া থানার ওসির অপসারণ নিয়ে প্রশাসন ‘প্রহসন’ করেছে অভিযোগ করে রাফি বলেন, “আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, পটিয়ার ওসিকে স্থায়ীভাবে অপসারণপূর্বক বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।”

যেসব পুলিশ সদস্য জুলাই আন্দোলনে গুলি চালিয়েছে, তাদের শাস্তির মুখোমুখি করার দাবিও তুলে ধরা হয় সংবাদ সম্মেলনে।

রাফি বলেন, “আমরা দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছ থেকে পাইনি। এটা তারা তাদের দায়বদ্ধতা মনে করেনি। আমরা তাদের ধিক্কার জানাই।”

পুলিশ সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেনর, যতক্ষণ পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ সংস্কার কাজ শুরু না করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এ আন্দোলন চলবে।

এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক জুবাইর হাসান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তারা চার দফা দাবি জানিয়েছিলেন।

দাবিগুলো হল–পটিয়া থানা থেকে সদ্য প্রত্যাহার হওয়া ওসি আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার ও বিচার এবং নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া, চট্টগ্রামের পুলিশ সুপারকে (এসপি) অপসারণ করা, পুলিশ বাহিনীতে সংস্কারের নির্দেশনা দেওয়া এবং এখন থেকে কাউকে আওয়ামী লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগ হিসেবে চিহ্নিত করে থানায় সোপর্দ করার পর পুলিশ তাকে যদি গ্রেপ্তার না করে, তাহলে ঊরা্ধ্বতন কর্মকর্তারা যাতে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

জুবাইর বলেন, “এ দাবিগুলোর মধ্যে আংশিক কিছু আমাদের বুঝিয়ে দিয়েছেন। তারা প্রহসনের মত এক ধরনের প্রমোশনের ব্যবস্থা করেছে ওসিকে।”

ইউডি/এবি

badhan

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading