বান্দরবানে ৮ মাসে ৩৪টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে
উত্তরদক্ষিণ। বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫, আপডেট ১৩:৪০
চলতি বছরে জানুয়ারি থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত বান্দরবান জেলায় ৩৪টি নারী ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এনজিও বিএনকেএসের উপপরিচালক উবানু মার্মা।
বুধবার (২০ আগস্ট) সকালে বান্দরবান প্রেসক্লাবে ‘নারীর প্রতি সহিংসতারোধে গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং সুশীল সমাজের নাগরিকদের ভূমিকা শীর্ষক সংলাপ’ অনুষ্ঠানে এই তথ্য তুলে ধরেন উবানু মার্মা।
সংলাপে ২০২৪ সালের সারাদেশের নারী নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত বান্দরবানে ৩৪টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানানো হয়। জেলা লিগ্যাল এইড, পুলিশ ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বিএনকেএসের উপপরিচালক উবানু মার্মা এই তথ্য তুলে ধরেন।
বক্তারা বলেন, দুর্গম এলাকায় কোনো নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটলে অভিভাবকেরা আইনের আশ্রয় নিতে চান না বা থানায় মামলা দায়ের করতে অনীহা প্রকাশ করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তের পক্ষে থানায় মামলা না করলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া কঠিন। সেজন্য সবাইকে সচেতন করা দরকার বলে সংলাপে উল্লেখ করা হয়।
উল্লেখ্য, বিএনকেএস একটি স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা। যা ১৯৯১ সাল থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম তথা সমগ্র বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সহযোগিতায় নিরলসভাবে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে।
২০২১ সাল থেকে উন্নয়ন সহযোগী ডিয়াকোনিয়া বাংলাদেশের অর্থায়নে বিএনকেএসের বাস্তবায়নে বান্দরবান সদর ও থানচি উপজেলার ‘ইনসুরিং রিপ্রোডাকটিভ হেলথ রাইটস অ্যান্ড জেন্ডার ইকুয়ালিটি ফর এন্থনিক হিলি ওমেন ইন বান্দরবান’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে আসছে। তারই ধারবাহিকতায় বুধবার সকালে বান্দরবান প্রেস ক্লাব হলরুমে সংলাপের আয়োজন করা হয়।
সংলাপে বান্দরবান প্রেস ক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক এনএ জাকির, নারী হেডম্যান সানুচিং মারমা, বান্দরবান দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী অং চ মং মারমা, সমাজকর্মী নেমকিম বম, সিনিয়র সাংবাদিক বুদ্ধজ্যােতি চাকমা, মিনারুল হকসহ সাংবাদিক, প্রথাগত প্রতিনিধি, শিক্ষক, এনজিও কর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
ইউডি/এআর

