উভয় কক্ষে পিআরের দাবিতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি জামায়াতের
উত্তরদক্ষিণ। বুধবার (২০ আগস্ট) ২০২৫, আপডেট ২৩:০০
নতুন বাংলাদেশ গঠনে এরইমধ্যে জুলাই সনদের খসড়া চূড়ান্ত করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। এরপর তা রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠিয়েছে কমিশন। তবে পিআর (সংখ্যানুপাতিক) পদ্ধতিসহ সংবিধান পরিবর্তনের সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রস্তাব নিয়ে বড় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতানৈক্য রয়েছে।
বিশেষ করে দেশের অন্যতম প্রধান দল জামায়াতে ইসলামী জাতীয় নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের ভিত্তিতে সংসদের উচ্চ ও নিম্নকক্ষে পিআর পদ্ধতি চায়। পিআর ছাড়া নির্বাচন হলে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে দলটি।
জামায়াতে ইসলামীর দাবি, পিআর পদ্ধতি চালু হলে জনগনের ক্ষমতায়ন হবে। এর ফলে দুর্নীতি কমবে।
দলটির নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, পিআর পদ্ধতি ছাড়া ভালো নির্বাচন হবে না। ফলে আমরা যতদূর সম্ভব তা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করবো। সর্বশক্তি দিয়ে সে চেষ্টা করবে জামায়াত।
দলটির আরেক নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার এরইমধ্যে উচ্চকক্ষে সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনের প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু আমরা উচ্চকক্ষের পাশাপাশি নিম্নকক্ষেও পিআর পদ্ধতি চাই। কারণ নিম্নকক্ষে না হয়ে উচ্চকক্ষে পিআর হলে এর তেমন প্রভাব থাকবে না।
জামায়াতের শীর্ষ নেতারা বলছেন, গণঅভুত্থানের স্বপ্ন পূরণ করতে হলে নির্বাচনের আগে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়ন করতে হবে। তাই জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণপরিষদ নির্বাচনের পক্ষে দলটি।
এ বিষয়ে সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, ঐকমত্য হওয়া সংস্কার প্রস্তাবগুলোকে আইনগত ভিত্তি দিতে হবে। এই সংস্কারের ভিত্তিতেই ভোট হতে হবে। সংস্কার বা পরিবর্তন ছাড়া আওয়ামী লীগের আমলের মতো নির্বাচন হলে দেশ আগের মতো জাহিলিয়াতের দিকে চলে যাবে।
মুজিবুর রহমান বলেন, নির্বাচন আগের মতো হলে জুলাই আন্দোলন ও ছাত্রদের রক্ত বৃথা যাবে। ফলে সংস্কারের পর নির্বাচন হলে তা উত্তম হবে। আমরা এখান থেকে পিছু হটবো না।
অপরদিকে, সংস্কার ছাড়া নির্বাচন হলে তা সুষ্ঠু ও অর্থবহ হবে না বলেও মনে করেন জামায়াতের শীর্ষ নেতারা।
ইউডি/এবি

