চট্টগ্রাম বন্দরের পরিষেবার ওপর খরচ বাড়লো ৪১ শতাংশ
উত্তরদক্ষিণ। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ২০২৫, আপডেট ২২:১০
প্রায় ৪০ বছর পর চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন সেবা খাতে ট্যারিফ (মাশুল) বাড়ানো হয়েছে। প্রস্তাবিত নতুন ট্যারিফের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। সবমিলিয়ে গড়ে ট্যারিফ বেড়েছে ৪১ শতাংশের মতো। সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে বিভিন্ন সেবা খাতে ট্যারিফ বাড়ানো হয়েছিল। প্রায় ৪০ বছর পর অন্তর্বর্তী সরকার বন্দরের ট্যারিফ বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়।
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন নতুন আরোপিত ট্যারিফ আজ সকাল থেকে কার্যকর হয়েছে। এর আগে রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নতুন ট্যারিফের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। চট্টগ্রাম বন্দরে মোট ৫২টি খাতে ট্যারিফ আদায় করা হয়। সেখান থেকে ২৩টি খাতে সরাসরি বর্ধিত হারে ট্যারিফ আদায় অনুমোদন হয়েছে।
জানা গেছে, গত ২৪ জুলাই বন্দরের প্রস্তাবিত ট্যারিফ অনুমোদন করেছিল অর্থ মন্ত্রণালয়। সে সময় একসঙ্গে গড়ে ৪১ শতাংশ হারে ট্যারিফ বাড়ানোর বিষয়ে আপত্তি জানায় বন্দর ব্যবহারকারীরা। এরপরই বিষয়টি নিয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বন্দর ব্যবহারকারীদের সঙ্গে একদফা আলোচনাও হয়েছে। কিন্তু ব্যবহারকারীদের আপত্তি আমলে না নিয়েই প্রজ্ঞাপন জারি করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। ফলে মাশুল বাড়ানোর যে সিদ্ধান্ত বন্দর কর্তৃপক্ষ নিয়েছিল, সেটিই বহাল থাকল।
দেশে আমদানি-রফতানি কেন্দ্রিক সমুদ্র বাণিজ্যের ৯২ শতাংশ এবং কনটেইনার ও পণ্য পরিবহনের ৯৮ শতাংশ সম্পন্ন হয় চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুসারে, সবচেয়ে বেশি ট্যারিফ বেড়েছে কনটেইনার পরিবহন খাতে। প্রতিটি ২০ ফুট লম্বা কনটেইনারে ১১ হাজার ৮৪৯ টাকা থেকে ৪ হাজার ৩৯৫ টাকা বেড়ে নতুন ট্যারিফ দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ২৪৩ টাকা। এ হিসেবে প্রতি কনটেইনারে ট্যারিফ বেড়েছে গড়ে ৩৭ শতাংশ।
ইউডি/এবি

