বিধিনিষেধ প্রত্যাহার চায় গ্রামীণফোন, বিটিআরসিকে চিঠি
উত্তরদক্ষিণ। সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, আপডেট ১৭:১০
তাৎপর্যপূর্ণ বাজার ক্ষমতা (এসএমপি) পরিচালনাকারী হিসেবে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) দেওয়া চিঠিতে গ্রামীণফোন বলেছে, এসব নির্দেশনা উচ্চ আদালতের রায় ও এসএমপি নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীন বিটিআরসি ২০১৮ সালে তাৎপর্যপূর্ণ বাজার ক্ষমতা প্রবিধানমালা জারি করে। এতে কোনো মোবাইল অপারেটরের গ্রাহকসংখ্যা, রাজস্ব অথবা তরঙ্গ—এ তিন ক্ষেত্রের একটিতে ৪০ শতাংশের বেশি বাজার হিস্যাধারী হলে তাকে এসএমপি অপারেটর হিসেবে ঘোষণার বিধান করা হয়।
সে হিসাবে গ্রামীণফোন গ্রাহকসংখ্যা ও অর্জিত বার্ষিক রাজস্বের দিক দিয়ে ৪০ শতাংশের বেশি বাজার হিস্যাধারী। প্রবিধানমালার আওতায় ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশের শীর্ষ মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনকে এসএমপি অপারেটর ঘোষণা করে বিটিআরসি।
এসএমপি ঘোষণার পর গ্রামীণফোনের ওপর বিটিআরসি কিছু নির্দেশনা (বিধিনিষেধ) জারি করে। এগুলোর মধ্যে আছে নতুন কোনো সেবার ক্যাম্পেইনের আগে অনুমোদন নেওয়া; এমএনপির (নম্বর ঠিক রেখে অপারেটর বদল) ‘লক ইন পিরিয়ড’ ৬০ দিন নির্ধারণ, যা অন্যদের ক্ষেত্রে ৯০ দিন; অপারেটরদের মধ্যে আন্তকলের ক্ষেত্রে গ্রামীণফোন প্রতি মিনিটে ৭ পয়সা পাবে, যেখানে অন্য অপারেটরা পাবে ১০ পয়সা। এসব নির্দেশনা চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে গিয়েছিল গ্রামীণফোন।
টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীন বিটিআরসি ২০১৮ সালে তাৎপর্যপূর্ণ বাজার ক্ষমতা প্রবিধানমালা জারি করে। প্রবিধানমালার আওতায় ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশের শীর্ষ মোবাইল অপারটের গ্রামীণফোনকে এসএমপি অপারেটর ঘোষণা করে বিটিআরসি। এসএমপি ঘোষণার পর গ্রামীণফোনের ওপর বিটিআরসি কিছু নির্দেশনা (বিধিনিষেধ) জারি করে।
ইউডি/রেজা

