সনদ স্বাক্ষরের আগে বাস্তবায়নের ‘পথ পরিষ্কার’ করার দাবি এনসিপির
উত্তরদক্ষিণ। বুধবার (১৫ অক্টোবর) ২০২৫, আপডেট ২৩:০০
জাতির কাছে ‘সব কিছু স্পষ্ট করে’ জুলাই সনদ স্বাক্ষরের দিকে অগ্রসর হলে এর বাস্তবায়ন এবং ‘জাতির প্রত্যাশা পূরণ’ সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির-এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের জরুরি বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।
এনসিপি সদস্য সচিব বলেন, “আমরা চাই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পথটাকে পরিষ্কার করে তারপরে আমরা সনদ স্বাক্ষর করার দিকে অগ্রসর হব।”
সরকার শুক্রবার জুলাই সনদ স্বাক্ষরের প্রস্তুতি নিলেও এর বাস্তবায়নের পথ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতভিন্নতা রয়ে গেছে। সেই মতপার্থক্য মিটিয়ে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটাতে রাজনৈতিক দল ও জোটের নেতাদের নিয়ে এই জরুরি বৈঠকে বসেন ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি মুহাম্মদ ইউনূস।
সন্ধ্যায় সাড়ে ৬টার পর রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এ বৈঠক শুরু হয়। কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, কমিশনের সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, সফর রাজ হোসেন, ইফতেখারুজ্জামান, বদিউল আলম মজুমদার, মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দারও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
এনসিপির অবস্থান তুলে ধরে আখতার হোসেন বলেন, “আমরা অনেক রক্ত ও জীবনের বিনিময়ে আজকের এই দিনে সবাই এখানে উপনীত হতে পেরেছি। দেশে যাতে কখনও ফ্যাসিবাদ ফিরে না আসে এবং গণতান্ত্রিক পথে অগ্রসর হতে সব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে অভূতপূর্ব পদ্ধতিতে দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনার মধ্য দিয়ে জুলাই সনদ প্রণয়নের দিকে অগ্রসর হয়েছি।
“কিন্তু শেষ মুহূর্তের কিছু বিষয় আমাদের মধ্যে শঙ্কার জায়গা তৈরি করেছে। আসলে জাতিকে অস্পষ্ট রেখে কোনো উদ্যোগকে সফল করা সম্ভব নয়। সনদের যে খসড়া পেয়েছি, সেখানে নোট অব ডিসেন্ট বিষয়গুলো স্টষ্ট করা হয়নি, সংজ্ঞায়িত করা প্রয়োজন।”
কীভাবে সেগুলোকে বাস্তবায়ন করা হবে সে ‘পথরেখা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন’ বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এনসিপির সদস্য সচিব বলেন, “আমরা যে অঙ্গীকারনামা পেয়েছি, সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেছি একমাস ধরে, তা সেখানে সুস্পষ্টভাবে উপনীত হয়নি। আমরা একটা আদেশের মধ্য দিয়ে বাস্তবায়নের কথা বলেছি।”
প্রধান উপদেষ্টা সরকার প্রধান হিসেবে হিসেবে ওই আদেশ জারি করবেন বলে আশা করছে এনসিপি।
ইউডি/এবি

