সালমান-সামিরাকে নিয়ে যে কারণে সিনেমা বানাতে পারেননি ছটকু আহমেদ

সালমান-সামিরাকে নিয়ে যে কারণে সিনেমা বানাতে পারেননি ছটকু আহমেদ

উত্তরদক্ষিণ। রবিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৫, আপডেট ১৪:০৫

সাধারণ মানুষের কাছে সামিরা হক নেতিবাচকভাবে পরিচিত হলেও সালমান শাহর খুব প্রিয় ছিলেন তিন। পরিবারের অমতে গিয়ে বিয়ে করেছিলেন তাকে। দুজনের সেই প্রেমের গল্প নিয়ে সিনেমা বানাতে চেয়েছিলেন বর্ষীয়ান পরিচালক ছটকু আহমেদ। তবে সালমানের মায়ের আপত্তিতে সম্ভব হয়নি।

সামিরাকে সালমান প্রথম দেখেন চট্টগ্রামে এক ফ্যাশন শোয়ে। সে ১৯৯০ সালের ১২ জুলাইয়ের কথা। প্রথম দেখায়-ই সামিরায় আটকে যান সালমান। তারপর দুই বছর চুটিয়ে প্রেম করে তারা বিয়ের পিঁড়িতে বসেন ১৯৯২ সালে।

সালমান-সামিরার সে প্রেমের গল্পে ‘স্বপ্নের রাজকুমার’ নামে একটি সিনেমা বানাতে চেয়েছিলেন ছটকু আহমেদ। তবে তা থেমে যায় লন্ডন প্রবাসী নীলা চৌধুরীর এক ফোনে।

এ প্রসঙ্গে গেল বছর ছটকু আহমেদ সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘সালমান শাহ অভিনীত প্রথম সিনেমার পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান ২০২০ সালে এই সিনেমাটি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। সেসময় আমি আর সোহান সামিরার সঙ্গে কথা বলে সিনেমার গল্প সাজিয়েছিলাম। সামিরার মুখে তাদের প্রেমের শুনে আমাদের ভালো লেগেছিল। চলতি বছর (২০২৪) সালমানের জন্মদিনের আগে আমার গল্পটির কথা মনে পড়ে। সালমান ও সোহানের স্মরণে সিনেমাটি তৈরির উদ্যোগ নিই।’

নীলা চৌধুরীর আপত্তি থাকলেও সামিরা সম্মতি দিয়েছিলেন উল্লেখ করে ছটকু আহমেদ বলেছিলেন, ‘সামিরার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি সম্মতি দেন। কিন্তু এ খবর পেয়ে কয়েকদিন আগে নীলা চৌধুরী লন্ডন থেকে ফোন করে আমাকে জানান, সালমানকে নিয়ে কোনো সিনেমা বানানো যাবে না। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেয়া আছে তাদের। নীলা চৌধুরীর এ সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে সিনেমাটির কাজ স্থগিত করেছি।’

১৯৯৬ সালে মৃত্যু হয় সালমানের। সেসময় তার মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে দাবি করেন সামিরা। কিন্তু সালমানের পরিবার দাবি করে, এটি কোনোভাবেই আত্মহত্যা নয়। ২৯ বছর পর গত ২০ অক্টোবর হত্যা মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

গেল ২১ অক্টোবর মধ্যরাতে রাজধানীর রমনা থানায় এই মামলা করেন সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম। এতে প্রথম আসামি করা হয় সামিরাকে।

ইউডি/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading