বৃহস্পতিবারও অবরোধের ঘোষণা দিয়ে ৩ সড়ক ছাড়লেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা
উত্তরদক্ষিণ। বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, আপডেট ১৮:৪০
প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠনের চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সায়েন্স ল্যাব, টেকনিক্যাল ও তাঁতীবাজার মোড় অবরোধ করেছিলেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। কয়েক ঘণ্টা থাকার পর সেসব সড়ক থেকে সরে গেছেন তারা।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার আবারও অবরোধের ঘোষণা দিয়ে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সড়ক থেকে সরে যান সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।
এ সময় অন্দোলনের সমন্বয়কারী নাইম হাসান বলেন, ‘সাত কলেজেকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের জন্য আন্দোলন করে যাচ্ছি। সরকারি দফতরে ধরনা দিয়েছি। সবাই আশ্বাস দিয়েছে। কিন্তু এখনো অধ্যাদেশশ জারি হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দুর্ভোগ চাই না। সরকার দ্রুত অধ্যাদেশ দিয়ে দিক। কিন্তু না দেয়ায় আমরা আনন্দোলন করছি।’
পরবর্তী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত কমসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়ে নাইম বরেন, ‘সাইন্সল্যাব, তাঁতীবাজার, টেকনিক্যাল এলাকা আগামীকালও অবস্থান চলবে। বেলা ১১টা থেকে অবরোধ করা হবে।’
দাবি আদায় না হলে অসহযোগ আন্দোলন গড়ে তোলারও হুঁশিয়ারি দেন এই সমন্বয়কারী।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক মঈনুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা রাজপথে আন্দোলন করে আসছে। ২০১৭ সালে শেখ হাসিনা নিজের ইচ্ছে মতো বিচার বিশ্লেষণ ছাড়া সাত কলেজে ঢাবির অধিভুক্ত করেন। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এই যৌক্তিক আন্দোলনকে সমথর্ন করেছে। এসব প্রতিষ্ঠান রাজনৈতিক ম্যানপাওয়ার সাপ্লাই প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করেছে। অবিলম্বে তাদের দাবি মেনে নিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে অধ্যাদেশ জারি করে সংকট দূর করবে। এ বিষয়ে কোনো তালবাহানা চলবে না।’
এর আগে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠনের চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারির দাবিতে তাঁতীবাজার মোড় অবরোধ করেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। এর পৌনে ১ ঘণ্টা পর টেকনিক্যাল মোড় অবরোধ করেন আন্দোলনকারীদের আরেকটি অংশ। আর দুপুর ১টার দিকে সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ করেন শিক্ষার্থীদের অন্য অংশ।
ইউডি/এআর

