আবারও বসছে পে কমিশন, চূড়ান্ত হতে পারে যেসব বিষয়
উত্তরদক্ষিণ। বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, আপডেট ২২:২০
সরকারি কর্মচারীদের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতন ছাড়াও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চূড়ান্ত করতে নবম জাতীয় পে স্কেল নিয়ে ফের সভায় বসতে যাচ্ছে পে কমিশন।
আগামী বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় সচিবালয়ে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের পুরাতন ভবনের সভাকক্ষে এ সভা বসবে বলে জানা গেছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।সভায় সর্বোচ্চ-সর্বনিম্ন বেতন ছাড়াও গ্রেড সংখ্যা, বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ও উৎসব ভাতা, অবসরকালীন সুবিধা ছাড়াও অন্য সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আলোচনা করা হবে।
আলোচনায় যে বিষয়গুলোতে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাবে কমিশন সেগুলো চূড়ান্ত করবে।নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে পে কমিশনের এক সদস্য গণমাধ্যমকে বলেন, কমিশন কেবল সুপারিশই জমা দেবে না।
ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি, নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্য, পরিবারের সদস্য সংখ্যা, আবাসন ও শিক্ষা ব্যয়কে প্রধান সূচক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করবে।এই পূর্ণাঙ্গ ফ্রেমওয়ার্কই ভবিষ্যৎ সরকারের জন্য বেতন কাঠামো নির্ধারণে মূল রেফারেন্স হবে।
এদিকে নবম পে স্কেলে বেতনের অনুপাত ১:৮ চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে পে স্কেল নিয়ে পূর্ণ কমিশনের সভায় এ অনুপাত চূড়ান্ত করা হয় বলে কমিশন সূত্র জানিয়েছে।
পূর্ণ কমিশনের সভায় উপস্থিত এক সদস্য গণমাধ্যমে বলেন, বেতনের অনুপাত নিয়ে তিন ধরনের প্রস্তাব করা হয়েছিল।১:৮, ১:১০ এবং ১:১২। এর মধ্যে ১:৮ অনুপাত চূড়ান্ত করা হয়েছে।
এছাড়া সর্বনিম্মন বেতন নিয়ে তিনটি প্রস্তাব পর্যালোচনা হয়েছে। পরবর্তী সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত হতে পারে।নবম জাতীয় পে স্কেলের সর্বনিম্ন বেতন নিয়ে তিনটি প্রস্তাব উত্থাপন করেছে পে কমিশন।
এই তিন প্রস্তাবের যে কোনো একটি চূড়ান্ত করা হবে বলে জানা গেছে।উল্লেখ্য, জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই গঠিত হয়। কমিশনের সভাপতি সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খান।
কমিশনের দায়িত্ব সরকারি কর্মচারীদের বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পর্যালোচনা করে সুপারিশ প্রদান করা। কমিশনের মেয়াদ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ হওয়ার কথা, যা জাতীয় নির্বাচনের আগেই প্রায় সমাপ্ত হবে।
ইউডি/এআর

