গণভোটে মানুষের আশার প্রতিফলন ঘটবে: অর্থ উপদেষ্টা
উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি , ২০২৬, আপডেট ২১:২০
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, গণভোট সবাইকে দিতে হবে। গণভোটকে আমরা ‘হ্যাঁ’ বলেছি। ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করলে দেশের সাধারণ মানুষের আশার প্রতিফলন ঘটবে। কোনো সময়ই ভালোভাবে সংস্কার হয়নি। ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে কতগুলো সংস্কার করা সম্ভব হবে।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে নাটোরের গুরুদাসপুর মিনি স্টেডিয়াম পরিদর্শনে গিয়ে নির্বাচন নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, গণভোট নিয়ে গ্রামের মানুষের না জানার কথা নয়।
সরকারের পক্ষ থেকে ব্যপক প্রচার চালানো হচ্ছে। তারা নিজেরাও ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে প্রচার চালাচ্ছেন।তিনি বলেন, কয়েক দিন পর আমি চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর ও ফেনী এই তিনটি জেলায় যাব। আজ সিরাজগঞ্জে যাব।
সেখানে গিয়ে গণভোটের প্রচার করা হবে।অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে আমরা সংস্কার করে যাচ্ছি। পরবর্তী সরকারও সংস্কার করবে। তবে এর আগে কোনো সময়ই ভালো করে সংস্কার করা হয়নি, যা হয়েছে তা পার্টি বেইজ। যে পার্টি এসেছে তারা নিজেদের মতো সংস্কার করেছে।
গণভোটে পজেটিভ দিক আছে। এর আগে যেটা ঘটেছে তা হলো রাজনৈতিক দল ক্ষমতাবান হলে একতরফাভাবে কাজ করেছে। আমরা বলেছি যেই ক্ষমতায় আসুক তারা সিদ্ধান্ত নেবে।
তবে আপনাদের সঙ্গে নিয়েই সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে হবে। এ জন্যই গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট দিতে হবে। তবেই বাংলাদেশের মানুষের ইচ্ছার, আশার প্রতিফলন ঘটবে।পে স্কেল নিয়ে ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, পে স্কেল নিয়ে আমি ধৈর্য ধরতে বলব।
পে স্কেল ১০/১২ বছর পরে করা। অনেক রকমের হিসাবনিকাশ রয়েছে। এটা নিয়ে কাজ চলছে। আমি আশা করি প্রতিবেদন দ্রুতই পাব। তারপর এটা বাস্তবায়নের বিষয় রয়েছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো অর্থ সংকট রয়েছে। তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই।
গুরুদাসপুর মিনি স্টেডিয়াম অত্যন্ত চমৎকার হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, মিনি স্টেডিয়াম নিয়ে একনেকে বেশ আলোচনা হয়েছে। এটা বড় একটা প্রকল্প ছিল। আমরা বলেছিলাম স্টেডিয়ামে লাভ কী হবে।
তবে স্টেডিয়ামে গুণগত মান ভালো আছে। পুরোপুরি প্রস্তুত হলে খেলাধুলা হবে। তখন আরও ভালো লাগবে।এ সময় অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ, অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন, গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুল ইসলাম প্রমুখ।
ইউডি/এআর

