প্রতিরোধ ও নিরাময়মুখী গবেষণায় গুরুত্বারোপ বিএমইউ ভিসির

প্রতিরোধ ও নিরাময়মুখী গবেষণায় গুরুত্বারোপ বিএমইউ ভিসির

উত্তরদক্ষিণ। শনিবার, ১৭ জানুয়ারি , ২০২৬, আপডেট ১২:১৫

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) থিসিস, গবেষণাপত্র ও গবেষণা প্রতিবেদন লেখায় গুণগত মান নিশ্চিত করতে ফেজ-বি পর্যায়ের ৭০০ জন রেসিডেন্ট ছাত্রছাত্রী ও চিকিৎসক অংশগ্রহণে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় গবেষণাকে প্রতিরোধ ও নিরাময়মুখী করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ব্লক অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা কার্যক্রমের উদ্বোধন হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম।

এ সময় বিএমইউ ভিসি বলেন, গবেষণা হতে হবে দেশের মানুষের বাস্তব প্রয়োজনকে সামনে রেখে। এমন গবেষণা করতে হবে, যা সরাসরি রোগীর কল্যাণে কাজে আসে এবং রোগ প্রতিরোধ ও নিরাময়ে কার্যকর অবদান রাখতে পারে।

তিনি আরও বলেন, গবেষণার মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত কোনো সমস্যার প্রকৃত চিত্র তুলে ধরা, এর কারণগুলো নির্ধারণ করা এবং বাস্তবভিত্তিক প্রতিকারের পথ খুঁজে বের করা। গবেষণার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ের হওয়া জরুরি এবং সেগুলো আন্তর্জাতিক মানের সাময়িকীতে প্রকাশের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।

শাহিনুল আলম বলেন, বিভিন্ন দেশের গবেষণালব্ধ জ্ঞান অনুবাদ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেশের বাস্তবতায় প্রয়োগ করা সম্ভব। গবেষণার ফলাফল চিকিৎসা কার্যক্রমে যুক্ত হলে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে। নিজেকে আন্তর্জাতিক মানের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, শিক্ষক ও গবেষক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিএমইউ প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিএমইউর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেন, ডিজিটাল যুগে পিছিয়ে থাকার কোনো সুযোগ নেই। মানসম্মত থিসিস ও গবেষণাপত্র লেখার জন্য হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। সেই বিবেচনায় রেসিডেন্ট চিকিৎসকদের জন্য এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আজকের রেসিডেন্টরাই আগামী দিনে দক্ষ ও যোগ্য চিকিৎসক ও গবেষক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলবেন এবং দেশের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় নেতৃত্ব দেবেন এটাই প্রত্যাশা।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএমইউর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারিক ও অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএমইউর পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার ইরতেকা রহমান, অতিরিক্ত গ্রন্থাগারিক সুফিয়া বেগম, উপ-গ্রন্থাগারিক ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. নাহিদুজ্জামান সাজ্জাদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

ইউডি/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading