শেখ মেহেদীর দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে রাজশাহীকে হারিয়ে ফাইনালে চট্টগ্রাম
উত্তরদক্ষিণ। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ২০২৬, আপডেট, ২৩:০৫
শেষ দুই ওভারে চট্টগ্রামের জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৯ রান। মিরপুরের উইকেটে এই সমীকরণ মেলানো নেহাতি সহজ কাজ নয়। তবে সেই কঠিন সমীকরণ মিলিয়ে দলকে ফাইনালে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেন অধিনায়ক শেখ মেহেদী। শেষদিকে মেহেদীর ৯ বলে অপরাজিত ১৯ রানে ভর করে ৩ বল বাকি থাকতেই ৬ উইকেটের জয় তুলে নেয় চট্টগ্রাম রয়্যালস।
১৯তম ওভারে বিনুরা ফার্নান্দোর প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকান শেখ মেহেদী। পরের বলে নেন দুই রান। সেই ওভার থেকে আসে ১০ রান। আর তাতে শেষ ওভারে সমীকরণ দাঁড়ায়, ৬ বলে ৯ রান।
শেষ ওভারে রিপন মণ্ডলের প্রথম বলে সিঙ্গেল নিয়ে শেখ মেহেদীকে স্ট্রাইক দেন আমের জামাল। পরের বলটা ছিল কিছুটা লো ফুলটস, মিড অনের ওপর দিয়ে সেই বল সীমানা ছাড়া করেন মেহেদী। আর তাতে সমীকরণ দাঁড়ায় ৪ বলে ২ রান। তৃতীয় বলে ২ রান নিয়ে জয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন চট্টগ্রামের অধিনায়ক।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহীর শুরুটা ছিল একটু ধীরগতির। পাওয়ার প্লেতে তারা তুলতে পারে মাত্র ৩৭ রান। তবে তানজিদ হাসান তামিমের ৪১ ও শেষদিকে সাকলাইনের ৩২ রানে ভর করে ১৩৩ রানের সংগ্রহ পায় রাজশাহী।
জবাব দিতে নেমে দেখেশুনে খেলতে থাকেন দুই ওপেনার মির্জা বেগ ও মোহাম্মদ নাঈম শেখ। উদ্বোধনী জুটিতে দুজনে যোগ করেন ৬৪ রান। যদিও দুজনেই ব্যাট করেছেন কিছুটা ধীরগতিতে। ৩৮ বলে ৩০ রান করা নাঈমকে সাজঘরে ফেরান আব্দুল গাফফার সাকলাইন।
দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ২৫ বলে ৩৫ রান যোগ করেন মির্জা বেগ ও হাসান নাওয়াজ। ১৪ বলে ২০ রান করা হাসান নাওয়াজকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন হাসান মুরাদ। আসিফ আলি ফিরেছেন দ্রুতই। দলীয় ১১২ রানে ৮ বলে ১১ রান করে সাকলাইনের বলে তানজিদের হাতে ধরা পড়েন এই পাকিস্তানি।
ইউডি/এবি

