বেনাপোল বন্দর দিয়ে এলো ৫১০ টন চাল
উত্তরদক্ষিণ। বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬, আপডেট ০৮:১৫
বেনাপোল বন্দরে তিন মাস পর চারটি চালানে ৫১০ মেট্রিকটন নন বাসমতি সিদ্ধ চাল আমদানি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) ১৪টি ট্রাকে করে আমদানি করা এসব চালান বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করে।
আজ বন্দর থেকে চালগুলো খালাস হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হবে। চাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স। আর আমদানিকৃত চাল ছাড়করণের কাজ করছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মেসার্স ভূইয়া এন্টারপ্রাইজ।
বেনাপোল বন্দরের বন্দর পরিচালক মো. শামীম হোসেন জানান, চারটি চালানে মোট ৫১০ মেট্রিকটন নন বাসমতি মোটা চাল আমদানি হয়েছে। এসব চাল দ্রুত খালাসের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
আমদানিকৃত চালের প্রতি কেজি বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত আমদানি খরচ পড়েছে ৫০ টাকা। খোলা বাজারে এই চাল প্রতি কেজি ৫১ টাকায় বিক্রি হবে বলে জানা গেছে। বর্তমানে স্থানীয় বাজারে স্বর্ণা মোটা চাল কেজি প্রতি ৪৬ থেকে ৪৮ টাকা, স্বর্ণা চিকন ৫১ থেকে ৫২ টাকা, আতব চাল ৪২ থেকে ৪৫ টাকা, আটাশ চাল ৫০ থেকে ৫২ টাকা, মিনিকেট চাল ৫৩ থেকে ৫৪ টাকা এবং বাসমতি চাল ৮০ থেকে ৮১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বন্দর সূত্র জানায়, গত বছরের নভেম্বর মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে সবশেষ ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিকটন চাল আমদানি হয়েছিল। পরে চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি সরকার পুনরায় ২৩২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে মোট দুই লাখ মেট্রিকটন চাল আমদানির অনুমতি দেয়।
এই অনুমতির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৩ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যেই আমদানিকৃত চাল দেশের বাজারে সরবরাহ করতে হবে। মূলত দেশের বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাস্টমস থেকে চাল ছাড়ের সুযোগ দিয়েছে।
চাল উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। দেশে মোট চালের চাহিদা মেট্রিক টন হলেও উৎপাদন চাহিদার চেয়ে বেশি। তবে ভবিষ্যতের জন্য মজুত নিশ্চিত করা এবং সিন্ডিকেটের কারণে দাম বেড়ে গেলে বাজার পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার সময় সময় চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।
ইউডি/রেজা

