বাংলাদেশের পথে হাঁটছে পাকিস্তান!
উত্তরদক্ষিণ। রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, আপডেট ১৬:২০
আসন্ন ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আজ রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসছেন পিসিবি (পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড) চেয়ারম্যান মহসিন নকভি।
এই বৈঠকের পরই স্পষ্ট হবে বাবর আজমরা বিশ্বকাপে খেলবেন নাকি টুর্নামেন্ট বর্জন করবেন।
ক্রিকেট বিশ্বে এই অস্থিরতার সূত্রপাত মূলত ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও ক্রিকেটীয় টানাপোড়েন থেকে।
আইপিএল থেকে বাংলাদেশি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে ইন্ডিয়ান ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশে সরিয়ে দেওয়ার পর দুই দেশের ক্রিকেট সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে।
এর প্রতিবাদে বিসিবি তাদের ম্যাচগুলো নিরপেক্ষ ভেন্যুতে স্থানান্তরের দাবি জানালেও আইসিসি তা প্রত্যাখ্যান করে।
শেষ মুহূর্তে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় পাকিস্তান।
বাংলাদেশের প্রতি আইসিসির এই কঠোর সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে পাকিস্তানও বিশ্বকাপ বয়কটের পথে হাঁটতে পারে বলে জোর গুঞ্জন উঠেছে। এর আগে ২৬ জানুয়ারিও পিসিবি প্রধান এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা করেছিলেন।
এরই ধারাবাহিকতায় বিশ্বকাপের জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠানও স্থগিত রাখা হয়েছে।
সূত্র জানায়, পাকিস্তান যদি শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ বয়কট করে, তবে পিসিবি বিকল্প একটি ঘরোয়া টুর্নামেন্টের পরিকল্পনা করে রেখেছে।
সেক্ষেত্রে লাহোরে জাতীয় দল এবং অনূর্ধ্ব-১৮ দলের সমন্বয়ে চারটি দল নিয়ে একটি টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হতে পারে।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ এশিয়ার ক্রিকেটে রাজনৈতিক প্রভাব নতুন নয়। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ইন্ডিয়ার পাকিস্তানে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে যেমন ‘হাইব্রিড মডেল’ অনুসরণ করা হয়েছিল, তেমনি ২০২৭ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানেরও নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলার চুক্তি ছিল।
তবে বাংলাদেশের বহিষ্কারের ঘটনা এখন পুরো অঞ্চলের ক্রিকেটীয় সমীকরণ বদলে দিয়েছে।
ইউডি/এআর

