সমঝোতায় নেওয়া অর্থ চাঁদা নয়, জোর করলে তবেই চাঁদা: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী
উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ২০২৬, আপডেট ২২:৫০
সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সড়কে পরিবহন সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো সমঝোতার ভিত্তিতে যে অর্থ সংগ্রহ করে, সেটিকে তিনি চাঁদা হিসেবে দেখেন না। তবে কাউকে বাধ্য করে টাকা নেওয়া হলে সেটিই চাঁদা হিসেবে গণ্য হবে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, সড়কে পরিবহনের ক্ষেত্রে যে অর্থ নেওয়ার বিষয়টি চাঁদা হিসেবে আলোচনা হয়, তা সবসময় চাঁদা নয়। মালিক সমিতি ও শ্রমিক সমিতিগুলো নিজেদের কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট হারে অর্থ সংগ্রহ করে থাকে। এটি অনেকটা অলিখিত নিয়মের মতো। তবে কেউ স্বেচ্ছায় না দিয়ে বাধ্য হলে সেটিকেই প্রকৃত চাঁদা বলা যায়।
তিনি বলেন, মালিক সমিতিগুলো সংগৃহীত অর্থ মালিকদের কল্যাণে ব্যয় করার কথা। কতটা সঠিকভাবে সেই অর্থ ব্যবহৃত হয়—তা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে। কিন্তু সমঝোতার ভিত্তিতে এ প্রক্রিয়া চললে সেটিকে চাঁদা আখ্যা দেওয়ার সুযোগ কম।
শেখ রবিউল আলম বলেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনসহ বিভিন্ন সংগঠন এভাবে অর্থ তোলে। ক্ষমতায় যে দল থাকে, তাদের সমর্থিত শ্রমিক সংগঠনের প্রভাব সাধারণত বেশি থাকে—এ কথাও তিনি স্বীকার করেন। তবে সমঝোতার ভিত্তিতে অর্থ সংগ্রহ হলে তা সরাসরি চাঁদা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না বলে জানান তিনি।
ইউডি/এবি

