স্বাধীনতা দিবসে ফুটবল উৎসব: দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ঘোষণা

স্বাধীনতা দিবসে ফুটবল উৎসব: দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ঘোষণা

উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, আপডেট ১৮:৫৭

বাংলাদেশের ৫৬তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে ‘স্বাধীনতার চেতনায় ফুটবল উৎসব’ শ্লোগানকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) জাতীয় স্টেডিয়ামে দিনব্যাপী ফুটবল ম্যাচ আয়োজন করে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। যেখানে উপস্থিত হয়ে দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে নিজের ও সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এদিন দুপুরের আগে যুব দল ও নারী দলের খেলা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে মাঠে নামেন দেশের সাবেক তারকা ফুটবলাররা। সাবেকদের ম্যাচের আগে মাঠে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সঙ্গে ছিলেন কন্যা জাইমা রহমান। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন তিনি।

এরপর তিনি সাবেক ফুটবলারদের নিয়ে গড়া লাল ও সবুজ দলের সঙ্গে ফ্রেমবন্দী হন এবং ডাগআউটে বসে খেলা উপভোগ করেন। ম্যাচ শেষে প্রধানমন্ত্রীর হাতে খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

স্বাগত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী দেশের ক্রীড়া অঙ্গন নিয়ে নিজের ও সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘প্রথমে সকলকে স্বাধীনতা দিবসের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে আমরা দেশের ক্রীড়াজগতে নতুন খেলোয়াড় তৈরি এবং ক্রীড়াকে পেশাদার রূপ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। সেই অনুযায়ী আমরা ‘নতুন কুড়ি স্পোর্টস’ কার্যক্রম চালু করতে চাই। আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং স্কুল পর্যায়ে খেলার প্রতিযোগিতা আয়োজনের। আমরা চাই, ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ফোরামে দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনতে সক্ষম খেলোয়াড় তৈরি হোক।’

স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে দেশের ক্রীড়া অঙ্গনকে সকলে মিলে এগিয়ে নেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আজকের এই স্বাধীনতা দিবসে আসুন আমরা সকলে সিদ্ধান্ত নেই, আমরা সকলে চেষ্টা করি যারা আমরা বিভিন্নভাবে, বাংলাদেশের বহু মানুষ আছেন যারা ক্রীড়ার সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত আছেন, তাদের সকলের কাছে অনুরোধ থাকবে—আসুন আমরা বাংলাদেশের ক্রীড়া জগতটিকে সুন্দরভাবে দলমত নির্বিশেষে সুন্দরভাবে আমরা এই ক্রীড়া জগতটিকে গড়ে তুলি। এই ক্রীড়া দেশের জন্য যেরকম সম্মান বয়ে আনতে পারে, এই ক্রীড়া আমাদের মধ্যে সুন্দরভাবে বন্ধুত্বের, ভ্রাতৃত্বের বন্ধনও তৈরি করতে সক্ষম বলে আমি বিশ্বাস করি।’

ইউডি/রেজা

melongazi

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading