যুদ্ধবিরতি নিয়ে ‘সময়ের কোনো চাপ নেই’: ট্রাম্প

যুদ্ধবিরতি নিয়ে ‘সময়ের কোনো চাপ নেই’: ট্রাম্প

উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, আপডেট ১৫:৩৩

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে সময়ের কোন চাপ নেই বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের উপস্থাপিকা মার্থা ম্যাককালামকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

স্থানীয় সময় বুধবার (২২ এপ্রিল) ফোনে দেয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, এই সংঘাত শেষ করতে তিনি ‘তাড়াহুড়ো করছেন না’ এবং তিনি একটি ‘ভালো চুক্তি’ চান।

একইদিন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। ট্রাম্প ইরানকে চূড়ান্ত সীমার কথা খুব স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন। বিশেষ করে ইরানের হাতে থাকা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আমেরিকার কাছে হস্তান্তরের বিষয়টি অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবে রাখা হয়েছে।

লেভিট আরও বলেন, ওয়াশিংটন তেহরানের উত্তরের অপেক্ষায় আছে। ইরান এখনও একটি ঐক্যবদ্ধ বার্তা পাঠাতে পারেনি, আর এ কারণেই প্রেসিডেন্ট যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি আগামী রবিবার শেষ হচ্ছে বলে ইসরাইলকে জানিয়েছে আমেরিকা। ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ‘কান’ (কেএএন) বলেছে, তেহরানের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বেঁধে দেয়া সময়সীমা আর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে শেষ হচ্ছে তেল আবিবকে এমন বার্তা পাঠিয়েছে ওয়াশিংটন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প অনির্দিষ্টকালের আলোচনার পরিবর্তে তেহরানের সঙ্গে একটি সুনির্দিষ্ট সমঝোতায় পৌঁছাতে চাইছেন।

অন্যদিকে শান্তি আলোচনায় অচলাবস্থা এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার জন্য আমেরিকাকে দায়ী করেছেন ইরানি কর্মকর্তারা। তারা বলেছেন, তেহরান কখনও ওয়াশিংটনের ‘ধমক’-এর কাছে নতি স্বীকার করবে না।

ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, আমেরিকার নৌ অবরোধের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়া সম্ভব নয়। জায়নিস্টদের যুদ্ধংদেহী মনোভাব এবং প্রকাশ্য যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের কারণে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়া ‘অসম্ভব’ হয়ে পড়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) এক এক্স পোস্টে বাঘের গালিবাফ বলেন, একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি তখনই অর্থবহ হবে, যদি সামুদ্রিক অবরোধ এবং বিশ্ব অর্থনীতিকে জিম্মি করার মাধ্যমে তা লঙ্ঘিত না হয় এবং যদি সর্বক্ষেত্রে জায়নবাদী যুদ্ধবাজি বন্ধ করা হয়; যুদ্ধবিরতির এমন নির্লজ্জ লঙ্ঘনের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেয়া অসম্ভব।

তিনি আরও বলেন, ‘তারা সামরিক আগ্রাসনের মাধ্যমে তাদের লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি এবং এখন ভয়ভীতি দেখিয়েও তা অর্জন করতে পারবে না। সামনে এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র পথ হলো ইরানি জাতির অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়া।

ইউডি/রেজা

melongazi

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading