সুইজারল্যান্ডে ইরান-আমেরিকা বৈঠক আজ

সুইজারল্যান্ডে ইরান-আমেরিকা বৈঠক আজ

উত্তরদক্ষিণ। রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, আপডেট ১২:৫৭

যুদ্ধ বন্ধে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সই হওয়া ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের’ পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে আজ রবিবার (২১ জুন) সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টকে দুই দেশের ‘টেকনিক্যাল পর্যায়ের’ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দিয়েছে। খবর আল-জাজিরার।

বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে এই আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান ও কাতারের প্রতিনিধিরাও অংশ নেবেন।

আল-জাজিরার প্রতিবেদনের তথ্যমতে, এই বৈঠকে অংশ নিতে ওয়াশিংটন থেকে সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। অপরদিকে, ইরানের প্রধান মধ্যস্থতাকারী ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের নেতৃত্বে তেহরানের প্রতিনিধি দলটি ইতিমধ্যেই জুরিখে এসে পৌঁছেছে।

গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মধ্যে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সমঝোতা স্মারক সই হলেও এখনো স্থায়ী শান্তিচুক্তি হয়নি। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় দুই দেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে সরাসরি আলোচনার পর তা চূড়ান্ত হওয়ার কথা। কিন্তু লেবাননে ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকায় তা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

ইউরোপগামী ফ্লাইটে ওঠার আগে ভ্যান্স সাংবাদিকদের বলেন, তিনি আশা করেন “পারমাণবিক ইস্যুতে অগ্রগতি হবে, লেবানন যুদ্ধবিরতি ইস্যুতেও অগ্রগতি হবে। আমার মনে হয়, এই দুটিই প্রধান বিষয় যার ওপর আমরা মনোযোগ দেব।”

এদিকে আমেরিকা ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে হরমুজ প্রণালিতে আবারও জাহাজ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। দেশটির সামরিক কমান্ডের কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর ‘খাতাম আল-আনবিয়া’ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, এটি তেহরানের পক্ষ থেকে প্রথম পদক্ষেপ এবং এই আঞ্চলিক আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে আরো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, কাতার ও পাকিস্তানের সরাসরি মধ্যস্থতায় সুইজারল্যান্ডের লুজানের নিকটবর্তী বুর্গেনস্টক রিসোর্টে এই বিশেষ কারিগরি ও রাজনৈতিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গত বুধবার ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে হওয়া ১৪ দফার ঐতিহাসিক খসড়া সমঝোতা স্মারকের ওপর ভিত্তি করেই আগামী ৬০ দিনের জন্য এই রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে, যার মূল লক্ষ্য অঞ্চলটিতে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি নিশ্চিত করা।

ইউডি/রেজা

melongazi

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading