আমেরিকার ৮৫টি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ইরানের হামলা

আমেরিকার ৮৫টি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ইরানের হামলা

উত্তরদক্ষিণ। বুধবার, ০৮ জুলাই, ২০২৬, আপডেট ১১:৩৫

ইরান-আমেরিকার উত্তেজনা আবারও চরমে পৌঁছেছে। যুদ্ধবিরতি ভেঙে আমেরিকার ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক সংঘাত শুরু হয়েছে। আমেরিকার বিমান হামলার পাল্টা জবাবে বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত আমেরিকার ৮৫টি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় সমন্বিত হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান।

ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, নৌ ও বিমান বাহিনীর যৌথ অংশগ্রহণে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে। তাদের দাবি, অভিযানে বিপুলসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাহরাইনে আমেরিকার পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর এবং কুয়েতের আলী আল-সালেম বিমান ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে নির্ভুল হামলা চালানো হয়েছে।

ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস জানিয়েছে, তাদের নৌ ও বিমান বাহিনী যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করেছে।

ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তাদের নৌ ও বিমান বাহিনী যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানে বিপুলসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, বাহরাইনে অবস্থানরত আমেরিকার পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি এবং কুয়েতের আলী আল-সালেম বিমান ঘাঁটিতে সুনির্দিষ্টভাবে হামলা চালানো হয়েছে।

আইআরজিসি বাহরাইনে অবস্থিত আমেরিকা পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি এবং কুয়েতের আলী আল-সালেম বিমান ঘাঁটিতে সুনির্দিষ্ট আঘাত হানার দাবি করেছে।

ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটি তাদের ‘প্রাথমিক জবাব’। এর আগে ইরানের হরমুজগন ও মাহশাহর এলাকার উপকূলীয় ঘাঁটি এবং বেসামরিক স্টেশনে বিমান হামলা চালিয়েছিল আমেরিকা। ইরান এই হামলাকে যুদ্ধবিরতি ও ইসলামাবাদ চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে।

এছাড়া ইরানের প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজার ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানকে আড়াল করতেই ওয়াশিংটন এই সময়টি বেছে নিয়েছে বলে দাবি আইআরজিসির।

এদিকে ইরানের বুশেহর প্রদেশের খোরমুজ এলাকার আকাশে একটি অত্যাধুনিক আমেরিকার ‘এমকিউ-৯’ ড্রোন গুলি করে নামানোর দাবি করেছে ইরান।

আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেন মহবি জানান, আমেরিকার আকাশসীমা লঙ্ঘনের জবাবেই ড্রোনটি ভূপাতিত করা হয়।

আমেরিকার নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হার্লান উলম্যান আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতি খুবই আশঙ্কাজনক। যে কোনো সময় এটি পুরো অঞ্চলে একটি বড় যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। তবে একটি বড় আঞ্চলিক যুদ্ধ কোনো পক্ষের জন্যই ভালো হবে না। তাই পরিস্থিতি শান্ত রাখা দুই দেশের স্বার্থেরই অনুকূল।

ইউডি/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading