নতুন ভিসা নীতিমালা অনুমোদন
উত্তরদক্ষিণ। মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, আপডেট ০৮:৪০
বিদেশিদের বাংলাদেশে আগমন ও প্রস্থান আরো সহজ ও সুশৃঙ্খল করতে ৩৪টি শ্রেণি নির্ধারণ করে নতুন ভিসা নীতিমালা অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। বিদেশি বিনিয়োগ, ব্যবসা ও দক্ষ মানবসম্পদ আকৃষ্ট করা এবং পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতকে উৎসাহিত করাও নতুন নীতিমালার অন্যতম লক্ষ্য।
সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৬তম বৈঠকে ‘ভিসা নীতিমালা-২০২৬’ এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রণীত নতুন নীতিমালায় বিদ্যমান ভিসা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী, নিরাপদ, গতিশীল ও সহজ করার পাশাপাশি আধুনিক ও সেবামুখী অভিবাসন কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন নীতিমালায় বিদেশি বিনিয়োগ, ব্যবসা ও দক্ষ মানবসম্পদ আকৃষ্ট করার পাশাপাশি পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতকে উৎসাহিত করা এবং প্রযুক্তি ও জ্ঞান স্থানান্তরের বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখা এবং পারস্পরিকতার নীতির ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার বিষয়টি নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
২০০৬ সালের বিদ্যমান ভিসা নীতিমালায় ভিসার শ্রেণি ছিল ৩৩টি। নতুন ভিসা নীতিমালা-২০২৬-এ তা বাড়িয়ে ৩৪টি করা হয়েছে।
নতুন নীতিমালার ভিত্তিতে আগের সব ভিসা-সংক্রান্ত পরিপত্র বাতিল করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একটি সমন্বিত ও আধুনিক ভিসা কাঠামো তৈরি করা হবে।
নতুন কাঠামো বাস্তবায়নে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বহির্গমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের মিশনগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করবে।
এর আগে গত ২ জুলাই ভিসা নীতিমালাটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়েছিল। তখন নীতিমালাটিকে আরো সমৃদ্ধ ও কার্যকর করার লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির পর্যালোচনা ও সুপারিশের পর সংশোধিত নীতিমালাটি আবার মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হয়। সোমবারের বৈঠকে এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
নতুন নীতিমালার মাধ্যমে একদিকে বিদেশিদের জন্য বাংলাদেশে আসা-যাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ হবে, অন্যদিকে জাতীয় নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের ভিসা ব্যবস্থাপনায় আরো শৃঙ্খলা ও সমন্বয় প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ইউডি/কেএস

