অ্যাপেন্ডিসাইটিসের কিছু মারাত্মক উপসর্গ
উত্তরদক্ষিণ মূদ্রিত সংস্করন ২৭ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০
প্রত্যেকের পাকস্থলি বা পেটে কিছু না কিছু সমস্যা হয়, যেমন- স্টমাক ভাইরাস অথবা ফুড পয়জনিং অথবা ডায়রিয়া অথবা কোনো নির্দিষ্ট খাবার সহ্য করতে না পারা। পেটের আরেকটি সমস্যা হচ্ছে অ্যাপেন্ডিসাইটিস। এ সমস্যাটি পেটের অন্যান্য সমস্যার তুলনায় কম হলেও এ বিষয়ে জানা থাকা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ অ্যাপেন্ডিসাইটিসকে অবহেলা করলে তা জীবন কেড়ে নিতে পারে। তাই অ্যাপেন্ডিসাইটিসের উপসর্গগুলো সম্পর্কে জ্ঞান রাখা ও সচেতন থাকা উচিত। এ প্রতিবেদনে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ৬ মারাত্মক উপসর্গ উল্লেখ করা হলো। পেটে ব্যথা: প্রায়ক্ষেত্রে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের সবচেয়ে কমন উপসর্গ হচ্ছে পেটে ব্যথা। এ ব্যথা সাধারণত নাভির পাশে হয় এবং ৫০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে এ ব্যথা পেটের ডানদিকে নিচে এক-চতুর্থাংশে স্থানান্তরিত হয়। বাথরুম করতে ব্যথা: অ্যাপেন্ডিক্সের অবস্থান পেলভিসের নিম্নভাগে হলে ঘনঘন মূত্রত্যাগের বেগ আসতে পারে অথবা মূত্রত্যাগে ব্যথা অনুভব হতে পারে অথবা ডায়রিয়া হতে পারে। কখনো কখনো কোষ্ঠকাঠিন্যও হতে পারে। বমি আসার অনুভূতি: পেট ব্যথা শুরুর পর বমিভাব, বমি ও খাবারে অনীহা হচ্ছে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের উল্লেখযোগ্য উপসর্গ। তাই আপনার তীব্র পেট ব্যথার সঙ্গে বমি আসার অনুভূতি হলে চিকিত্সকের কাছে যাওয়া উচিত। জ্বর ও শীতলতা: জ্বর হচ্ছে কোনো ইনফেকশনের লক্ষণ। জ্বরের সঙ্গে শারীরিক শীতলতা অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অন্যতম লক্ষণ হতে পারে। জ্বরের মানে হচ্ছে আপনার মাথা গরম হবে, কিন্তু শারীরিক শীতলতায় কম্বল দিয়ে শরীর ঢাকার পরও ঠান্ডা অনুভব হবে। শরীরে গরম ও ঠান্ডার সমন্বয় এবং সেইসঙ্গে পেটে ব্যথা হচ্ছে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের সতর্কীকরণ উপসর্গ। গ্যাস জমে যাওয়া: অতিরিক্ত ফল, বিনস ও অন্যান্য গ্যাস-উত্পাদনকারী খাবার খেলে আপনার পেটে প্রায়সময় গ্যাস জমতে পারে এবং এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। কিন্তু আপনার পেটে গ্যাসীয় অবস্থার পাশাপাশি মলত্যাগের ধারাবাহিকতা ভেঙে পড়লে ও বদহজম হলে এটি একটি লক্ষণ হতে পারে যে আপনার অ্যাপেন্ডিক্সে কিছু একটা সমস্যা হয়েছে। নড়াচড়া করতে অসুবিধা: অ্যাপেন্ডিসাইটিস থেকে উত্পন্ন ব্যথার কারণে এ সমস্যায় আক্রান্ত অনেক লোকের পক্ষে চলাফেরা করা কঠিন হয়ে পড়ে। অ্যাপেন্ডিসাইটিসে করণীয়: এসব উপসর্গের মধ্যে যেকোনো একটি দেখা দিলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিত্সকের কাছে যেতে হবে।
সতর্কতা: লেখাটি মূলতঃ প্রাথমিক তথ্য ভিত্তিক। চিকিত্সা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সংক্রান্ত যে কোন বিষয়ে রেজিস্টার্ড চিকিত্সক/পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত্।

