শিল্পকলায় ভাওয়াইয়া উত্সব
উত্তরদক্ষিণ মূদ্রিত সংস্করন ২৮ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০০
ভাওয়াইয়া সম্রাট আব্বাসউদ্দীন আহমদের ১১৮তম জন্মদিন উপলক্ষে শিল্পকলায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘দশম ভাওয়াইয়া উত্সব’ এবং তৃতীয় ভাওয়াইয়া কর্মশালা। গতকাল (২৭ অক্টোবর) কর্মশালার মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠানটি। কর্মশালা শেষে সন্ধ্যায় শুরু হয় ‘দশম ভাওয়াইয়া উত্সব’। উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন লোক গবেষক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তফা জামান আব্বাসী, সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোঃ এনামুল হক, ভাওয়াইয়া অঙ্গনের প্রধান উপদেষ্টা আবু আলম মো. শহিদ খান এবং সংগীতশিল্পী মো. নুরুল ইসলাম। উত্সবের সভাপতিত্ব করেন ভাওয়াইয়া অঙ্গনের চেয়ারপারসন সালমা মোস্তাফিজ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন মাজহারুল ইসলাম ও সাহস মোস্তাফিজ। উত্সবটির আয়োজক ভাওয়াইয়া গানের শিক্ষা, সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও গবেষণার বিশেষায়িত সংগঠন ভাওয়াইয়া অঙ্গন। ভাওয়াইয়া সম্রাট আব্বাসউদ্দীন আহমদ ১৯০১ সালের ২৭ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহার জেলার তুফানগঞ্জ মহকুমার বলরামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। আধুনিক গান, স্বদেশী গান, ইসলামি গান, পল্লীগীতি, উর্দুগান সবই গেয়েছেন তিনি। তবে পল্লীগীতিতে তার মৌলিকতা ও সাফল্য সবচেয়ে বেশি। ‘রমজানর ওই রোজার শেষে’, ‘তোরা দেখে যা আমিনা মায়ের কোলে’, ‘ত্রিভুবনের প্রিয় মোহাম্মদ’ ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই’, ‘তোরসা নদী উথাল পাতাল, কারবা চলে নাও’, ‘প্রেম জানে না রসিক কালাচান’সহ আরও অসংখ্য কালজয়ী গানের সংগীতশিল্পী হলেন আব্বাসউদ্দীন আহমদ।

