সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ‘আটঘাট বেঁধে’ নেমেছে সরকার
উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ০২ নভেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১০:০৪
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে আটঘাট বেঁধে মাঠে নেমেছে সরকার। দেশের সড়ক ও মহাসড়কগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই সড়ক নিরাপত্তা আইনটি কার্যকর করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (১ নভেম্বর) সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সফিপুরে নির্মাণাধীন ফ্লাইওভার কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। খবর ইউএনবির। নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন নিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই আমাদের লক্ষ্য, এটি আমাদের চ্যালেঞ্জ। সড়ক নিরাপত্তা আইনটিও সেজন্য। বিশ্বব্যাংক আমাদেরকে একটি প্রকল্প দিচ্ছে। আমরা এজন্য আটঘাট বেধে নেমেছি। শৃঙ্খলা আমাদের বড় সঙ্কট, উন্নয়ন যথেষ্ট হয়েছে। শৃঙ্খলা না থাকলে উন্নয়নের কোনো দাম নেই।’
প্রসঙ্গত, বহুল আলোচিত সড়ক পরিবহন আইন গতকাল শুক্রবার (১ নভেম্বর) থেকে কার্যকর হয়েছে। এটি অনুযায়ী, সড়কে যেকোনো আইন লঙ্ঘন করলেই এখন মোটা অঙ্কের জরিমানা, কারাদণ্ড এমনকি উভয় দণ্ড হবে। জরিমানা হতে পারে পাঁচ হাজার থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত। আর কারাদণ্ড এক মাস থেকে পাঁচ বছর। গত ২৩ অক্টোবর সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারণে কারও মৃত্যু বা মারাত্মক আহতের ঘটনায় সর্বোচ্চ শাস্তি পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে ২০১৮ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে ‘সড়ক পরিবহন বিল-২০১৮’ পাস হয়। অনুপ্রবেশকারী ও বিতর্কিতরা আওয়ামী লীগে ঠাঁই পাবে না উল্লেখ করে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৫শ জনের অনুপ্রবেশকারীর তালিকা তৈরি করেছেন। আমরা সেই তালিকা বিভাগীয় পর্যায়ে যারা দায়িত্বপ্রাপ্ত তাদের কাছে হস্তান্তর করেছি। সারাদেশে নতুন করে যে সম্মেলন হচ্ছে, এই সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব আসছে।’ অনুপ্রবেশকারী তথা বিতর্কিত, অপকর্মকারী লোকজন আওয়ামী লীগের কোন পর্যায়ে নেতৃত্ব গ্রহণ করতে পারবে না বলেও জানান দেন। তিনি আরও বলেন, সাম্প্রদায়িক অপশক্তি ছাড়া অন্যান্য রাজনৈতিক দলের ক্লিন ইমেজের লোক আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী নয়, তাদের আমরা স্বাগত জানাই। পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, ঢাকা বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খান, জেলা প্রশাসক এসএম তরিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার শামসুন্নাহারসহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

