বাংলাদেশের স্বপ্ন ভঙ্গ
উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ২৪ নভেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১০:৫২
খুব কাছে গিয়েও শিরোপা জয় করা হলো না বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দলের। ইমার্জিং কাপের ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ৭৭ রানে হেরে রানার্স আপ হয়েছে বাংলাদেশ। গতকাল শনিবার (২৩ নভেম্বর) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে ইমার্জিং কাপের ফাইনালে পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-২৩ দলের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। ম্যাচটি শুরু হয় সকাল ৯টায়। পাকিস্তান টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশকে টার্গেট দেয় ৩০২ রানের। এ লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ২৩ রানে সৌম্য সরকারকে হারায় বাংলাদেশ। সাজঘরে ফেরার আগে ৬ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ঝড়ো ১৫ রানের ইনিংস খেলেন জাতীয় দলের এই ব্যাটসম্যান। এরপর অধিনায়ক শান্তকে নিয়ে বিপদটা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন আরেক ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম (১৬)। কিন্তু তিনিও বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি। ধীর-সুস্থির গতিতে ব্যাট করতে থাকা শান্ত ও ইয়াসির আলী দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু দুজনের ৫১ রানের জুটি ভাঙেন বাট। ২২ রানে ফেরেন ইয়াসির। এরপর দলীয় ১১৯ রানে ও ব্যক্তিগত ৪৬ রানে শান্ত আউট হলে শিরোপা জয়ের স্বপ্নটা ধুলিসাত্ হতে বসে। তবে আফিফ হোসেন চেষ্টা করেছিলেন দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেওয়ার। বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার খেলছিলেনও দুর্দান্ত। কিন্তু জাকির হাসান (৯) ও মাহমুদুল ইসলাম অংকন (৫) দ্রুত বিদায় নিলে ফের বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় ১৯৫ রানে ফিফটি বঞ্চিত হয়ে বিদায় নেন আফিফও। তার ৫৩ বলে ৪৯ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৪ চার ও ১ ছক্কায়। পরাজয়ের মুখে একলা লড়াই করেন মেহেদী হাসান। কিন্তু তার ব্যাট থেকে ৪২ রান এলেও শেষের দুই ব্যাটসম্যান সুমন (৩) ও হাসান (৮) দ্রুত সাজঘরে ফিরলে ২২৪ রানে থমকে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। ৫ রানে অপরাজিত ছিলেন তানভীর ইসলাম। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ হাসনাইন। দুটি করে উইকেট ভাগাভাগি করেছেন খুশদিল ও সাইফ বদর। পাকিস্তানকে শিরোপা এনে দিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন রোহাইল নাজির। ফাইনালে ব্যর্থ হলেও পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের জন্য প্লেয়ার অব দ্য সিরিজ হয়েছেন সৌম্য সরকার।

