সৌদির নিরাপত্তা সহযোগিতায় আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র-ফ্রান্স
উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ২৫ নভেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১০:৩৮
ড্রোন ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সৌদি আরবের তেল শিল্পের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর দেশটির রাডার ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে সহযোগিতা করার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স। গত শনিবার বাহরাইনে অনুষ্ঠিত এক নিরাপত্তা সম্মেলনে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান জেনারেল কেনেথ ম্যাকেঞ্জি এবং ফ্রান্সের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফ্লোরেন্স পার্লি পারস্য উপসাগরের জলসীমা সুরক্ষায় জোর দেয়ার কথাও বলেছেন, জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। সংবাদমাধ্যমটি লিখেছে, ওয়াশিংটন ও রিয়াদ সেপ্টেম্বরে সৌদি আরবের তেল উত্পাদন কেন্দ্রে বড় ধরনের ওই হামলার জন্য শুরু থেকেই তেহরানকে দায়ী করে আসছে; অথচ দুই মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরও এ সংক্রান্ত কোনো অকাট্য প্রমাণ হাজির করতে পারেনি। রিয়াদের তেল উত্পাদন অর্ধেকে নামিয়ে আনা ওই হামলায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রথম থেকেই অস্বীকার করে আসছে তেহরান। যদিও ইরানি হুমকির কথা বলেই যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে তার অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী সৌদি আরবে অতিরিক্ত সৈন্য পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে। বাহরাইন নিরাপত্তা সম্মেলনে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার দায়িত্বে থাকা মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ম্যাকেঞ্জি সৌদি আরবের নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রাধিকারের বিষয়টিও তুলে ধরেন। আরামকোর ওপর হামলা নিয়ে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য খতিয়ে দেখছি আমরা; মূলত সৌদি আরবের মাধ্যমেই এসব তথ্য প্রকাশ করা হবে। সৌদিদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়াতে তাদের সঙ্গে কাজ করছি আমরা। এর ফলে ভবিষ্যতে এ ধরনের হুমকি মোকাবিলায় তারা আরও সক্ষম হবে, সাংবাদিকদের বলেছেন তিনি। সৌদি আরবের ওপর সপ্রতিদ্বন্দ্বীদের হামলাকে কঠিন করে তুলতে কাতার ও বাহরাইনে মার্কিন সেনা ঘাঁটির পাশাপাশি রিয়াদের দক্ষিণে প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতেও যুক্তরাষ্ট্রের সেনা উপস্থিতি বাড়ানোর কথা জানান ম্যাকেঞ্জি। ফরাসী প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, তারা রিয়াদকে তুলনামূলক নিচ দিয়ে আসা হামলা শনাক্তে কার্যকর রাডারসহ অত্যাধুনিক সতর্কতা ব্যবস্থাপনার বিপুল সরঞ্জাম পাঠাচ্ছেন।

