প্রযোজনায় কঙ্গনা রানাওয়াত

প্রযোজনায় কঙ্গনা রানাওয়াত

উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ২৬ নভেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১১:১২

ষোড়শ শতাব্দীতে মুঘল সেনাপতি মির বাকি একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। যা বাবরি মসজিদ নামে পরিচিত। তিনি যে স্থানে মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন, সেটি আসলে দেবতা রামের জন্মভূমি। আর তাই দীর্ঘদিন ধরেই স্থানটির দখল নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। অবশেষে গত ৯ নভেম্বর অযোধ্যার বিতর্কিত ২.৭৭ একর জমি নিয়ে রায় দিয়েছেন ইন্ডিয়ার সুপ্রিম কোর্ট। রায়ে বলা হয়েছে, অযোধ্যার জমি শর্তসাপেক্ষে দেওয়া হোক হিন্দুদের। মুসলিমদের মসজিদ তৈরির জন্য বিকল্প জমি দেওয়া হোক। শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, ৩-৪ মাসের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারকে তৈরি করতে হবে ট্রাস্ট। সেই ট্রাস্ট ওই জমিতে মন্দির নির্মাণের জন্য রূপরেখা তৈরি করবে। আর অযোধ্যাতেই মসজিদের জন্য মুসলিম সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে দেওয়া হবে ৫ একর বিকল্প জমি। এই রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বিতর্কের অবসান ঘটেছে। এবার এই বিতর্কিত বিষয়টি নিয়ে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দিলেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। সিনেমার নাম ‘অপরাজিতা অযোধ্যা’। এটি প্রযোজনা করবেন এই অভিনেত্রী। এমনই খবর প্রকাশ করেছেন ইন্ডিয়ান গণমাধ্যম মুম্বাই মিরর। সংবাদমাধ্যমটিতে কঙ্গনা বলেন, ‘রামমন্দির কয়েকশ বছরের জ্বলন্ত ইস্যু। আশির দশকে আমি জন্ম নিয়েছি। অযোধ্যা নামটি খুব নেতিবাচক অর্থে শুনতে শুনতে বড় হয়েছি। আমাদের রাজা আত্মত্যাগের প্রতিভূ। সেই রাজার জন্ম যে মাটিতে, সেই একখণ্ড জমি নিয়েই দীর্ঘদিন বিতর্ক চলেছে। এই মামলার রায় ইন্ডিয়ান রাজনীতির গতিপ্রকৃতি পাল্টে দিয়েছে এবং ধর্মনিরপেক্ষতা বজায় রেখে কয়েকশ বছরের বিতর্কের সমাপ্তি ঘটিয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘দুই দশকের বেশি সময় ধরে ভক্তরা এই রায়ের অপেক্ষায় ছিলেন। অযোধ্যা রায়ে অগণিত মানুষের বিশ্বাসের জয় হয়েছে। অযোধ্যার সেই অপরাজিত আবেগকেই এই সিনেমার গল্পে তুলে ধরতে চাই। আর এজন্য সিনেমাটির এই নামকরণ।’ ‘অপরাজিতা অযোধ্যা’ সিনেমার চিত্রনাট্য রচনা করছেন ‘বাহুবলি’-এর চিত্রনাট্যকার কে ভি বিজয়েন্দ্র প্রসাদ। সিনেমার কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। আগামী বছরের শুরুর দিকে সিনেমাটির শুটিং শুরু হবে বলেও এ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading