স্যার ফজলে হাসান আবেদ দিনবদলের স্বপ্নদ্রষ্টা

স্যার ফজলে হাসান আবেদ দিনবদলের স্বপ্নদ্রষ্টা

উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ২২ ডিসেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১০:৪২

মিলন গাজী ষ দেশের সবচেয়ে বড় এবং বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা- ব্র্যাক। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন এবং দারিদ্র বিমোচনে কাজ করে সংস্থাটি। স্যার ফজলে হাসান আবেদ গত বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। তিনি গত অগাস্টে ব্র্যাকের চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়ান। তবে এরপর তিনি প্রতিষ্ঠানটির চেয়ার এমেরিটাস হিসেবে ছিলেন। ব্র্যাকের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই মুহূর্তে, কোনো সমবেদনা বা সান্ত্বনার ভাষাই তাকে হারানোর কষ্ট কমাতে পারবে না। যেকোনো কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে শান্ত থাকা ও এগিয়ে যাবার শিক্ষাই তিনি সবসময় আমাদের দিয়েছেন। জীবনভর যে সাহস আর ধৈর্যের প্রতিচ্ছবি আমরা তার মাঝে দেখেছি, সেই শক্তি নিয়েই আমরা তার স্মৃতির প্রতি যথাযথ সম্মান জানাব।’  বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা- ব্র্যাকের জন্ম হয় ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। সিলেটের শাল্লায় যুদ্ধে বিধ্বস্ত একটি জনপদের মানুষজনের জন্য ত্রাণ সহায়তা দিতে কাজ শুরু করেন স্যার ফজলে হাসান আবেদ। সেখানে প্রতিষ্ঠা করা হয় বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিটি বা ব্র্যাকের। তবে ১৯৭৩ সালে যখন পুরোদস্তুর উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে ব্র্যাক কার্যক্রম শুরু করে, তখন তার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘বাংলাদেশ রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট কমিটি।’ তবে সংক্ষিপ্ত নাম ব্র্যাকই থাকে। রীতিমত বর্ণিল কর্মজীবন ছিল স্যার ফজলে হাসান আবেদের। তার প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক ক্রমে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় পরিণত হয়। ক্ষুদ্র ঋণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন এবং বাল্যবিবাহ রোধসহ নানা খাতে কাজ করেছেন তিনি। তবে প্রত্যন্ত অঞ্চলে নারী ও শিশুদের জন্য অপ্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বিস্তারে কাজ শুরু করাকে স্যার ফজলে হাসান আবেদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ বলে মনে করেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং শিক্ষাবিদ রাশেদা কে চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘সিলেটের শাল্লায় দেখেছি কিভাবে তিনি একটি দোচালা ঘরে হারিকেনের আলোতে একনিষ্ঠভাবে কাজ করছেন। দেখেছি যারা আনুষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণ করতে পারছে না- যাদের মধ্যে মেয়ে শিশু বেশি, তাদের গাছতলায় বসে পড়ানোর ব্যবস্থা করেছেন। পরবর্তীতে সরকার এ ব্যাপারে সহায়ক নীতিমালা গ্রহণ করেছে, এক পর্যায়ে উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষাকে স্বীকৃতিও দিয়েছে এবং এ নিয়ে আইন প্রণয়ন করেছে।’ ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদ গত শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। ব্র্যাকের সূত্রগুলো জানাচ্ছে, স্থানীয় সময় রাত ৮টা ২৮ মিনিটে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ব্র্যাকের সমস্ত কর্মীকে এরই মধ্যে ইমেইলে এই খবর জানানো হয়েছে। তার মৃত্যুতে সংস্থার হাজার হাজার কর্মীসহ বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ১৯৩৬ সালে বৃহত্তর সিলেটের হবিগঞ্জে জন্ম গ্রহণ করেন স্যার ফজলে হাসান আবেদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটেনের গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করে আন্তর্জাতিক জ্বালানি কোম্পানি শেল অয়েলে কয়েক বছর কাজ করেন। এরপর ১৯৭২ সালে যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশে তিনি শুরু করেন ত্রাণ ও পুনর্বাসনের কর্মসূচি। পরবর্তীতে ত্রাণ দিয়ে সহায়তার বদলে দরিদ্রদের স্বাবলম্বী করে তোলার নতুন কাজে হাত দেন তিনি, যা পরে পরিণত হয়েছে আজকের ব্র্যাকে।

গ্রামীণ সমাজের রূপান্তর: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আরেকজন সাবেক উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান মনে করেন, প্রায় পাঁচ দশক ধরে এই সংস্থাটি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে। তার ভাষায়, ‘সমস্যা সমাধানে তার কাজ করার পদ্ধতি ছিল একেবারেই আলাদা। প্রথমদিকে ছিল পুনর্বাসনের কাজ, পরে তিনি শিশুমৃত্যুর হার কমানো এবং মাতৃমৃত্যুর হার কমানোর জন্য কাজ করলেন। এরপর নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের কাজের সুযোগ সৃষ্টির পর ব্র্যাক যখন দাঁড়িয়ে গেছে, তখন তিনি ভবিষ্যতের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য দক্ষতা তৈরির কাজ শুরু করলেন। এভাবে এক এক করে কাজের পরিধি বেড়েছে এবং সমাজে তার ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।’ বড় উদ্যোগের পাশাপাশি গ্রামীণ নারীদের হাতে তৈরি পণ্য বিক্রির জন্য আশির দশকের শেষের দিকে ব্র্যাক আড়ং প্রতিষ্ঠা করে। এর মাধ্যমে দেশজ নকশা ও কাপড়, দেশীয় রুপা-তামা-কাঠ-পুঁতির গয়না নতুন করে প্রচলন হয়। নাগরিক সমাজে দেশীয় সিল্ক এবং রুপার গয়না নতুন করে জনপ্রিয় করে তোলার কাজটি করেন স্যার ফজলে হাসান। এরপর একে একে ব্র্যাক ব্যাংক, ব্র্যাক ডেইরি এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। তিনি ব্র্যাককে দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিয়ে যাবার কথা প্রথম ভাবেন ২০০০ সালের পরে- বলছিলেন ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ। তার ভাষায়, ‘২০০০ সালের দিকে তিনি একবার ক্যালিফোর্নিয়া গিয়েছিলেন। অ্যাপলের স্টিভ জবসের সঙ্গে ডিনারের সময় জবস তাকে বলেছিলেন, তোমার মডেলটা এত ভালো, তুমি বাংলাদেশের বাইরে কেন কাজ করছো না? তখন উনি প্রথম ভাবলেন যে, দেশের বাইরে কাজ করা দরকার।’ তিনি বলেন, ‘২০০২ সালে জাতিসংঘের উন্নয়ন সংস্থার তত্কালীন প্রধান আফগানিস্তানে ভয়াবহ যুদ্ধের মধ্যে তাদের কমিউনিটি স্বাস্থ্য ক্লিনিকগুলোর দায়িত্ব নেওয়ার জন্য পৃথিবীর সব দেশের প্রতিনিধিদের অনুরোধ জানিয়েছিলেন, তখন ঘর ভর্তি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের কেউ সাড়া দেননি। শুধু স্যার ফজলে হাসান আবেদ হাত তুলে বলেছিলেন, আমি যেতে পারি।’ এই মূহুর্তে ব্র্যাকের কর্মী সংখ্যা বাংলাদেশেই এক লক্ষের ওপরে এবং বিশ্বের ১১টি দেশে বর্তমানে কাজ করছে এই সংস্থাটি। কিন্তু ব্যক্তি জীবনে তিনি ছিলেন একজন ‘ফ্যামিলি ম্যান’- ব্যাখ্যা করছেন সালেহ, যিনি সম্পর্কে স্যার ফজলে হাসান আবেদের জামাতা। সালেহ বলেন, তিনি ভীষণ ব্যস্ততার মধ্যেও পরিবারকে সবসময় গুরুত্ব দিয়েছেন। আর সেটা কেবল নিজের একক পরিবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, পরিবারের দূরবর্তী সদস্যরাও একই মনোযোগ পেত। অত্যন্ত ধৈর্যশীল শ্রোতা ছিলেন। শিল্প-সাহিত্যের চর্চা তার প্রিয় কাজের একটি ছিল। আর রবীন্দ্রভক্ত ছিলেন খুব।’

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মাননা: কর্মজীবনে দারিদ্র্য বিমোচন, বিশেষত নারী ও শিশুদের জীবন-মান উন্নয়নে তাত্পর্যপূর্ণ অবদানের জন্য জাতীয় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বহু পুরস্কার পেয়েছেন স্যার ফজলে হাসান আবেদ। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পদক’ থেকে শুরু করে, যুক্তরাজ্য এবং নেদারল্যান্ডসের সম্মানসূচক ‘নাইটহুড’ উপাধিসহ বহু পুরস্কার পেয়েছেন। সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়েছেন অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

‘আবেদ দর্শনে এগিয়ে যাবে ব্র্যাক’: বিশ্বের বৃহত্তম বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদের মৃত্যুতে প্রতিষ্ঠানটিতে কোনো ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হবে না বলে মন্তব্য করেছেন এর চেয়ারপারসন ও সাবেক তত্ত্বাবধয়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, ‘কোনো ধরনের অনিশ্চয়তার নয় বরং স্যার ফজলে হাসান আবেদের দর্শন দিয়ে এগিয়ে যাবে ব্র্যাক। তার দর্শনটা ছিল খুবই সুস্পষ্ট। সেটা হচ্ছে- পৃথিবীতে ভাগ্য বিড়ম্বিত মানুষগুলোর জন্য কাজ করা। এটাই হচ্ছে সবচেয়ে মহত্তর কাজ।’ গতকাল শনিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) কার্যালয়ে এসব কথা বলেন ব্র্যাকের বর্তমান চেয়ারপারসন ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এই উপদেষ্টা। ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘স্যার ফজলে হাসান আবেদ বিভিন্নভাবে আমাদের মেসেজ দিয়ে গেছেন। সেই মেসেজ হলো- তার দর্শনকে আশ্রয় করে ব্র্যাককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। আমরা তার সেই দর্শনের দিকে নজর দিয়ে ব্র্যাককে এগিয়ে নিয়ে যাব। প্রথমত, তার দর্শনটা ছিল খুবই সুস্পষ্ট। সেটা হচ্ছে পৃথিবীতে অসংখ্য ভাগ্য বিড়ম্বিত মানুষ রয়েছে। এই মানুষগুলোর জন্য কাজ করাটাই হচ্ছে সবচেয়ে মহত্তর কাজ।’ ‘দ্বিতীয়ত, এইসব ভাগ্য বিড়ম্বিত মানুষের নিজেদের পরিবর্তনের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সম্ভাবনাকে শ্রদ্ধা করতে হবে, চিহ্নিত করতে হবে। তৃতীয়ত হচ্ছে, এই সম্ভাবনাগুলোকে ভাগ্য বিড়ম্বিত মানুষগুলো কাজে লাগাতে পারছে না। তার অনেকগুলো কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রতিষ্ঠানিক, সামাজিক, আর্থিক ও রাজনৈতিক কারণ। সেই প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করার জন্য আমাদের সচেষ্ট হতে হবে। এসব করার জন্য আবেদ দর্শনকে ধরে কাজ করতে হবে, সেজন্য একটা প্রতিষ্ঠান  লাগবে। সেই প্রতিষ্ঠানকে নিয়ম, দক্ষতা, স্বচ্ছতার ভিত্তিতে গড়ে তুলতে হবে। যেটা উনি ব্র্যাকের মাধ্যমে করে গেছেন,’- বলেন হোসেন জিল্লুর। ভবিষ্যতে কী করতে হবে, সে বিষয়েও ফজলে হাসান আবেদ অনুপ্রেরণা দিয়ে গেছেন বলে মন্তব্য করেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারপারসান। তার দেওয়া দর্শন, চ্যালেঞ্জ আর অনুপ্রেরণাই ব্র্যাককে ভবিষ্যতে পথ চলতে সহায়তা করবে। তিনি বলেন, ‘সফল হতে পারব কি পারব না, এটা বলার বিষয় না। দেখার বিষয়। চেষ্টা যদি করি, দর্শন যদি ঠিক থাকে, পরিশ্রম করে লেগে থাকা যায়, তাহলে সফলতা আসবেই।’ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, স্যার ফজলে হাসান আবেদ জানতেন, তিনি চলে যাওয়ার পর ব্র্যাকের কী হবে সেই প্রশ্ন উঠবে। সে কারণেই তিনি এসব প্রশ্নের সুষ্ঠু সমাধান আর সুরাহা নিজেই দিয়ে গেছেন। সজ্ঞানে পূর্ণাঙ্গভাবে করে গেছেন সব সমাধান। তিনি বলেন, ‘এরই ধারাবাহিকতায় গত আগস্ট মাসের বোর্ড মিটিংয়ে ব্র্যাকের চেয়ারপারসন পদ পরিবর্তন করা হয়েছে। পরবর্তীতে স্যার ফজলে হাসানের উদ্যোগেই আরেকটা নতুন স্তর তৈরি হলো। সেটা হলো ব্র্যাক গ্লোবাল বোর্ড। এটা হলো ব্র্যাকের বৈশ্বিক আকাঙ্ক্ষা।’ হোসেন জিল্লুর আরও বলেন, ফজলে হাসান আবেদ যখন দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হলেন, চিকিত্সকরা যখন তাকে বিষয়টি বুঝিয়ে বললেন, তখন তিনি নিজের কথা ভাবেননি, ভেবেছেন ব্র্যাকের সমস্যার কীভাবে সমাধান করা যায়। তিনি অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে সক্ষমতা ও সজ্ঞানেই ব্র্যাকে পরিবর্তনের বিষয়গুলো করে গেছেন। একইসঙ্গে যাদের দায়িত্ব দিলেন তাদের কী করা উচিত, সে চ্যালেঞ্জও দিয়ে গেছেন। তিনি খুবই বিনয়ী ছিলেন। তার অনেক অর্জন ছিল, কিন্তু তা নিয়ে কখনো কোনোদিন বাহাদুরি করেননি। মানুষ বুঝেছে, তিনি মানুষের জন্য কতটা করেছেন। দুইটি জিনিস স্যার ফজলে হাসান আবেদকে নাড়া দিয়েছিল বলে উল্লেখ করেন ব্র্যাক চেয়ারপারসন। স্যার আবেদের ছিল সচ্ছল জীবন। তিনি ইংল্যান্ডে ছিলেন। সেখান থেকে বাংলাদেশে ফিরেছেন। ১৯৭০ সালের বন্যায় অসংখ্য মানুষের মৃত্যু আর ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এ দু’টি বিষয়ই তাকে দারুণভাবে নাড়া দিয়েছিল। এসবের কারণেই তিনি ভেবেছিলেন, এই দেশে পুনর্গঠনের কাজ করতে হবে। সেই থেকে কাজে লেগে যান তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading