দক্ষিণখানে এক ঘরে ৩ লাশ, রহস্য উদঘাটনের চেষ্টায় পুলিশ
উত্তরদক্ষিণ অনলাইন । ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০ । আপডেট ২১ঃ২৩
রাজধানীর দক্ষিণখানের একটি বাড়ি থেকে যে তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে মায়ের মৃত্যু হয়েছে মাথায় আঘাতের কারণে। আর তার দুই শিশু সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক জানিয়েছেন। একদিন আগের ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। তবে পুলিশ বলছে, নিহত দুই শিশুর বাবা বিটিসিএলের উপসহকারী প্রকৌশলী রকিবউদ্দিনকে পাওয়া গেলে হত্যা রহস্য উদঘাটন করা সহজ হতে পারে। তারা সেই রহস্য উদঘাটের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে পুলিশের ভাষ্য।
এর আগে শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় কে সি মডেল স্কুলের পেছনে প্রেমবাগান এলাকায় রকিবউদ্দিনের বাসা থেকে তার স্ত্রী মুন্নী বেগম (৩৭), তাদের ছেলে ফোরকান উদ্দিন (১২) ও মেয়ে লাইভার (৪) লাশ উদ্ধার করা হয়। স্বজনদের বরাতে পুলিশ তখনই জানিয়েছিল, তিন দিন ধরে গৃহকর্তা রকিবের কোনো খোঁজ নেই। নিহত তিন জনের মধ্যে মা ও মেয়ের লাশ ছিল বিছানায়; ছেলের লাশ পাশের ঘরের মেঝেতে পড়ে ছিল। সন্তানদের মা মুন্নীর মাথা ছিল থেঁতলানো।
শনিবার দুপুরে সোহরোওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে তিনজনের ময়নাতদন্ত করেন ফরেনসিক বিভাগের প্রধান এ এম সেলিম রেজা। পরে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, প্রতিবেদন পেতে একটু সময় লাগবে। তবে মুন্নী বেগমকে ভারী বস্তু দিয়ে মাথায় আঘাত করে এবং তার দুই শিশুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া গেছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার নাবিদ কামাল শৈবাল বলেন, এই হত্যারহস্য এখনো উদঘাটন করা সম্ভব হয়নি। তাদের কারা এবং কেন হত্যা করেছে- সে ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি। পুরো ঘটনাই এখনও অজানা। তবে রকিবউদ্দিনকে পাওয়া গেলে বিষয়টি খোলাসা হতে পারে। তাকে আমরা খুঁজছি রহস্য উদঘাটনের জন্য। ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দক্ষিণখান থানায় একটি মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নাসির

