ট্রাম্পের টুইটে ‘ফ্যাক্ট-চেকিং’ ট্যাগ টুইটারের
উত্তরদক্ষিণ মঙ্গলবার ২৯ মে ২০২০। ১৩:২৩
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি টুইটে ‘ফ্যাক্ট-চেকিং’ ট্যাগ লাগিয়ে দিয়েছে টুইটার। এর অর্থ ট্রাম্পের টুইট করা বক্তব্য সম্পর্কে ‘বিভ্রান্তিকর তথ্য’ লেবেল লাগিয়ে টুইটার কর্তৃপক্ষ সতর্কতা জারি করল।
এদিকে টুইটারের সিদ্ধান্তে বেজায় খেপেছেন ট্রাম্প। তীব্র প্রতিক্রিয়ায় তিনি ফিরতি টুইটে ট্রাম্প বলেন, “টুইটার পুরোপুরি বাক স্বাধীনতার কণ্ঠরোধ করছে।”
টুইটারে পোস্ট করা টুইটে ট্রাম্প লেখেন, “কোনো উপায় নেই (শূন্য!) মেইল-ইন ব্যালটে ব্যাপক জালিয়াতির চেয়ে কম কিছু হবে না।” এ পোস্টটির নিচে একটি ‘ফ্যাক্ট-চেকিং’ ট্যাগ বা সতর্কতা লেবেল লাগিয়ে দিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে তাদের নতুন নীতি অনুযায়ী একটি টুইট করে টুইটার। এটা এক ধরণের নোটিফিকেশন যেটা প্রথমবারের মত ট্রাম্পের টুইটে ব্যবহার করা হল।

পোস্ট করা একটি টুইটে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লেখেন, “কোনো উপায় নেই (শূন্য!) মেইল-ইন ব্যালটগুলো ব্যাপক জালিয়াতির চেয়ে কম কিছু হবে না।”
প্রেসিডেন্টের এই পোস্টটির নিচে একটি সতর্কতা লেবেল লাগিয়ে দিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে তাদের নতুন নীতি অনুযায়ী একটি টুইট করে টুইটার। ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচার-কর্তা ব্র্যাড পার্সক্যালও টুইটার কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করেছেন।
টুইটারের নোটিফিকেশনে নীল রঙের একটি বিস্ময়বোধক চিহ্ন দেখানো হয় এবং একটা হাইপার লিঙ্কের মাধ্যমে পাঠকদের ‘মেইল-ইন ব্যালটের বিষয়ে সঠিক তথ্য’ জানার পরামর্শ দেওয়া হয়। ওই লিঙ্কটি ব্যবহারকারীদের একটি পেইজে নিয়ে যায় যেখানে ট্রাম্পের দাবিকে সিএনএন, ওয়াশিংটন পোস্ট ও অন্যান্যদের ভাষ্য অনুযায়ী ‘প্রমাণিত নয়’ বলে বর্ণনা করা হয়।
এছাড়া ‘আপনার কী জানা দরকার’ শিরোনামে আরেকটি বাখ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দাবিকে টুইটার কেন ‘মিথ্যা’ বলছে সেটার ব্যাখ্যা দিয়েছে।
বিবিসি লিখেছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটার তাদের সাইটে মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে সতর্কতার মাত্রা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে দেরি করেছে।
চলতি মাসের প্রথমদিকে টুইটার তাদের নীতিমালা হালনাগাদ করেছে যার মধ্যে সতর্কতার মাত্রা সংক্রান্ত বিষয়টিও রয়েছে।
প্রতিক্রিয়ায় টুইটে ট্রাম্প বেশ চড়া সুরে অভিযোগ করেন, এই সোশাল মিডিয়া (টুইটার) যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে (৩ নভেম্বর, ২০২০) হস্তক্ষেপ করছে। টুইটার বাক-স্বাধীনতার কণ্ঠরোধ করছে, আর প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমি এটি হতে দিব না।
সূত্রঃ বিবিসি, সিএনএন। কার্টুনঃ সংগৃহিত।

