লঞ্চডুবির ঘটনা পরিকল্পিত হতে পারে: নৌ প্রতিমন্ত্রী’র ধারণা
উত্তরদক্ষিণ। সোমবার ২৯ জুন ২০২০। আপডেট ১৬:৪৫
বুড়িগঙ্গা নদীতে ‘মর্নিং বার্ড’ লঞ্চডুবির ঘটনাটি ‘পরিকল্পিত হতে পারে’ বলে মনে করছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এ ঘটনায় যেই দায়ী হোক না কেন, তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সোমবার (২৯ জুন) সকালে একটি বড় লঞ্চের ধাক্কায় আরেকটি ছোট লঞ্চ অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে মাত্র ৫ সেকেন্ডের ব্যবধানে সম্পূর্ণ ডুবে যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ডুবে যাওয়া লঞ্চটি থেকে অন্তত ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছেন উদ্ধারকর্মীরা। বিকালে সদরঘাট শ্যামবাজার এলাকায় দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান নৌ প্রতিমন্ত্রী।
এসময় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পাশাপাশি বিআইডব্লিউটিএ’র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘এ ঘটনা পরিকল্পিত হতে পারে। তবে ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি লঞ্চের মালিক দোষী হয়, তাহলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সোমবার সকালে ঢাকা থেকে চাঁদপুরের পথে ছেড়ে যায় ময়ূর-২ লঞ্চ। মর্নিং বার্ড লঞ্চটি মুন্সীগঞ্জ ঘাট থেকে ঢাকায় আসছিল। শ্যামবাজারে ময়ূর-২ লঞ্চটি মর্নিং বার্ডকে ধাক্কা দিলে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে ডুবে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লঞ্চটি ডুবে যাওয়ার সময় সাঁতরে কয়েকজন তীরে এসে পৌঁছান। তবে অধিকাংশ যাত্রী লঞ্চের মধ্যে আটকা পড়ায় তারা বের হতে পারেননি।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পরে তাদের সঙ্গে কোস্ট গার্ড যুক্ত হয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। এ পর্যন্ত উদ্ধার করা ৩০ মরদেহের মধ্যে রয়েছে দুইটি শিশু, পাঁচ জন নারী ও ২৩ জন পুরুষ। মরদেহগুলো স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে। এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে শ্যামবাজারে।

