ডিমলায় ২০ মণ ওজনের গরু নিয়ে বিপাকে সুলতান
মহিনুল ইসলাম সুজন । উত্তরদক্ষিণ
নীলফামারী; বুধবার, ২২ জুলাই ২০২০ । আপডেট ১২:৩০
দীর্ঘ ৪ বছর নিজ সন্তানের মত লালন পালন করে এখন গরুর ক্রেতা না পেয়ে চিন্তায় পড়েছেন সুলতান নামে এক ক্ষুদ্র খামারী। তার বাড়ি নীলফামারীর ডিমলায়।
সরেজমিনে জানা গেছে, উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের কুঠিরডাঙ্গা এলাকার আব্দুল রউফের পুত্র ক্ষুদ্র খামারী শাহ সুলতান ও তার স্ত্রী কুরবানী দেয়া ব্যক্তির নিকট বিক্রি করার উদ্যেশ্যে অনেক আশা নিয়ে ফ্রিজিয়ান জাতের একটি ষাড় দীর্ঘ ৪ বছর লালন-পালন করে বড় করেছেন।
আদর করে তারা গরুটির নাম রেখেছেন “আল্লাহর দান।” ৫ ফিট উচ্চতা ও ৯ ফিট দৈর্ঘের সাদা-কালো রঙ্গের ২ শিং এবং ৬ দাতের গরুটির বর্তমান ওজন প্রায় ২০ মণ। যার বাজার মূল্য ৬ লাখ টাকা দাবি করেছেন খামারী। গরুটি এক নজর দেখার জন্য বিভিন্ন এলাকার মানুষজন প্রতিনিয়তই খামারীর বাড়িতে ভিড় করে থাকেন।

তবে আসন্ন কুরবানির ঈদে গরুটি তিনি বিক্রি করতে চাইলেও বর্তমান দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে ক্রেতা সঙ্কটের কারণে বিপাকে পড়েছেন গরুর মালিক সুলতান।
তিনি বলেন, দীর্ঘ ৪ বছর যাবত গরুটিকে অনেক আশা নিয়ে নিজের সন্তানের মত লালন-পালন করে বড় করেছি। গরুটি আমি কুরবানি দেয়া ব্যক্তির নিকট বিক্রির করব বলে অনেক অর্থনৈতিক সমস্যাতেও তা অন্যকারো কাছে বিক্রি করিনি।
“গরুটি ৪ বছর লালন-পালন করতে গিয়ে আমি অনেক ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছি। আসন্ন কুরবানির ঈদে গরুটি বিক্রি করতে না পারলে আমি অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হব।”
গরুটির মূল্য তিনি ৬ লাখ টাকা আশা করলেও যেকোনো ব্যক্তি আলোচনা সাপেক্ষে ক্রয় করতে পারবেন বলেও জানান তিনি।

