ধর্ষণ মামলা: ছাত্র অধিকার পরিষদের ২ জন রিমান্ডে

ধর্ষণ মামলা: ছাত্র অধিকার পরিষদের ২ জন রিমান্ডে

উত্তরদক্ষিণ | সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২০ | আপডেট: ১৮:০৩

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর দায়ের করা ধর্ষণ ও ধর্ষণের সহযোগিতা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই জনের ২ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (১২ অক্টোবর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়ার আদালত এ আদেশ দেন।

রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন- বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম ও সংগঠনটি ঢাবি শাখার সহ-সভাপতি নাজমুল হুদা। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতয়ালী জোনাল টিমের পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) ওয়াহিদুজ্জামান আসামিদের আদালতে হাজির করে কোতয়ালী থানায় দায়ের করা মামলায় সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হেমায়েত উদ্দিন খান (হিরণ) রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে প্রার্থনা করেন। তবে আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। নাজমুল হুদাকে রবিবার (১১ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে মগবাজার মোড় মডার্ণ হারবাল সেন্টারের সামনে এবং সাইফুল ইসলামকে আজিমপুর থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গত ২১ সেপ্টেম্বর কোতয়ালী থানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ওই শিক্ষার্থী মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অপর আসামিরা হলেন, বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হাসান সোহাগ (২৮), একই সংগঠনের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন (২৮), বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম (২৮), বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি নাজমুল হুদা (২৫) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহিল কাফি (২৩)।

এরআগে ২০ সেপ্টেম্বর লালবাগ থানায়ও একই আসামিদের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেন তিনি। মামলায় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনকে প্রধান আসামি করে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরসহ আরও পাঁচজনকে সহযোগিতার অভিযোগে আসামি করা হয়।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading