শহরে না এসে গ্রামে থাকুন: মেয়র আতিক

শহরে না এসে গ্রামে থাকুন: মেয়র আতিক

উত্তরদক্ষিণ | রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২০ | আপডেট: ১৮:১৪

প্রতিদিন ঢাকায় ১৪ হাজার লোক গ্রাম থেকে আসছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, গ্রাম থেকে শহরে আসা সীমাবদ্ধ করে দেওয়া দরকার। যারা গ্রামে আছেন, তারা শহরে না এসে গ্রামে থাকুন। গ্রামে অনেক ডিমান্ড আছে। আপনারা জীবিকা নির্বাহ গ্রামে থেকেও করতে পারবেন।

রবিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকালে নগরীর গুলশান ২ নম্বরে অবস্থিত বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ পার্কে অনুষ্ঠিত ‘প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন’ প্রকল্পের উদ্যোগে ‘নারীর মর্যাদা ও সুরক্ষা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আতিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘দরিদ্র জনগোষ্ঠী যেন সুন্দর জীবনযাপন করতে পারে, তা আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। সিটি করপোরেশনের একার পক্ষে এটি সম্ভব নয়। এজন্য সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থাকে এগিয়ে আসতে হবে। শহরে বসবাসরত দরিদ্রদের জন্য আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, কমিউনিটি-ভিত্তিক সংগঠন শক্তিশালী করা, নারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করে কর্মসংস্থান তৈরি করা, এগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদেরকে দারিদ্র্যবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনা জোরদার করা জোরদার করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘নারীদের স্কিল ডেভেলপমেন্ট করতে আমাদের কাজ করতে হবে। স্কিল ডেভলপমেন্টের কোনও বিকল্প নাই। বিভিন্ন ধরনের ট্রেনিং দিয়ে, নারীরা যেন স্বাবলম্বী হতে পারেন, সেটি অবশ্যই করতে হবে। আর সেজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন।’

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আপনারা জেনে খুশি হবেন যে, প্রধানমন্ত্রী কিছুদিন আগে বস্তিবাসীর জন্য কীভাবে স্থায়ী আবাসন করা যায়, সে ব্যাপারে আমাকে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেছেন। সেইদিন আর বেশি দূরে নয় যে, আমরা আমাদের হতদরিদ্রদের স্থায়ী আবাসন করতে পারবো। এ ব্যাপারে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কাজ করে যাচ্ছি।’

বক্তব্য শেষে মেয়র প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তহবিলের এক কোটি ২২ লাখ ৭৭ হাজার ৮০৬ টাকা এবং অবকাঠামো উন্নয়ন তহবিলের এক কোটি ৪৩ লাখ ২৩ হাজার ৪২৯ টাকার চেক হস্তান্তর করেন।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading