আলোচনায় ওয়েব সিরিজ ‘তাকদির’
উত্তরদক্ষিণ | সোমবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২০ | আপডেট: ১৪:৩১
তাকদিব ওয়েব সিরিজের অভিনয় এবং সিনেমাটোগ্রাফি নিয়ে কেউ কোন প্রশ্ন তুলবে না এটা স্বাভাবিক। বাংলাদেশের অন্যান্য কাজের তুলনায় এ কাজ যথেষ্ট ভাল এবং পরিচ্ছন্ন। তবে প্রশ্ন থেকে যায় কাহিনীতে।
এত ছোট একটা কাহিনি যার মীমাংসা এপিসোড দু’তেই প্রায় দেখানো হয়ে যায়। সেই কাহিনিকে টেনেটুনে এতটা বড় করেছে পরিচালক, আসলেই অনেকটা বিরক্তিকর। বিরক্তিকরও হয়তো মানা যেত কিন্তু এত কমন আর টুইস্ট ছাড়া কাহিনি আসলে এত সময় ধরে দেখা মানা যায় না। মানুষ থ্রীল আর রহস্যর মুভি সিরিজ দেখে কারণ এইসব জিনিসের মজাই হচ্ছে সিরিজ বা মুভিতে কতটা টুইস্ট দেয়া যায় আর রহস্য কত গভীরে নেয়া যায়।
সত্যি কথা বলতে তাকদির সিরিজে রহস্য তো ছিলই না থ্রিলগুলোও কেমন জানি ফেক ফেক। আর আপনারা ভাল করে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন এপিসোড পাঁচ থেকে মন্টু, চঞ্চলসহ অনেকের ভয়েস পরিবর্তন করে দেয়া হয়েছে।কলকাতার এক্সেন্ট দিয়ে বাকীটা করা হয়েছে যার ফলে দেখার যে বাকী আনন্দ সেটাও বাতাসে ফুস। আর একটা বিষয়, এটা কোন জীবন থেকে নেয়া কাহিনি না যে আমরা বসে বসে ডায়লগ শুনবো।
রহস্যের সিরিজ দেখতে গিয়ে যদি বোর ধরে যায় তবে সেটা রহস্যের সিরিজ না নিশ্চয়ই।
চঞ্চলকে যতটা ভেবেছিলাম ততটা মেলে ধরতে পারে নি। আর মন্টু ছেলেটার ভয়েস পরিবর্তন আগ পর্যন্ত সব ঠিক ছিল।
মন্দ কথা একপাশে রাখলে সিরিজের প্রাপ্তি শুধুমাত্র সিনেমাটোগ্রাফিতেই আর কিছু অভিনেতার অভিনয়ে।আর বাকী সবখানে ম্লান।
তবে সুখের কথা, এই কাজটা আমাদের নতুন করে আশা জাগিয়েছে।
আমরা আশা করতেই পারি, পরবর্তীতে আরও ভাল, শক্তিশালী কোন কাহিনি দেখবো এরকম ভাল অভিনয় এবং সিনেমাটোগ্রাফিতে অথবা এর থেকেও শক্তিশালী অভিনয়ে।

