ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করতে এফবিআইকে চিঠি
উত্তরদক্ষিণ | মঙ্গলবার, ০৫ জানুয়ারী, ২০২১ | আপডেট: ১১:০৯
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এফবিআইকে চিঠি দিয়েছেন আমেরিকার দুজন আইনপ্রণেতা। জর্জিয়ার নির্বাচনী কর্মকর্তাকে নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেওয়ার কথা বলায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আইনি ঝামেলায় পড়তে যাচ্ছেন।
আমেরিকার ইতিহাসে এমন বিচারের কোনো নজির নেই। প্রেসিডেন্ট ফেডারেল অপরাধ থেকে নিজেকে ক্ষমা করার ব্যবস্থা নিতে পারেন। যদিও কোনো অঙ্গরাজ্য আইনে তার অপরাধের দায় থেকে মুক্তি নেওয়ার সুযোগ প্রেসিডেন্টের নেই।
কংগ্রেসের দুজন ডেমোক্র্যাট সদস্য টেড লিউ ও ক্যাথলিন রাইস ৪ জানুয়ারি এফবিআই পরিচালক ক্রিস ওরেই বরাবর পত্র দিয়ে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক তদন্ত শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন।
নিউইয়র্কের সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল প্রিট ভারারা বলেছেন, ফেডারেল ও জর্জিয়ার নির্বাচনী আইনে পরিষ্কার করে বলা আছে, জ্ঞানত ভোট জালিয়াতি-কারচুপিতে ইন্ধন দেওয়া বা উৎসাহিত করা দণ্ডযোগ্য অপরাধ।
ট্রাম্প ২ জানুয়ারি জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের সেক্রেটারি অব স্টেট ব্র্যাড রাফেনসপারজারকে ফোন করেন। তাদের দীর্ঘ ফোনালাপের অডিও দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট গত রোববার প্রথম প্রকাশ করলে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়।
আমেরিকার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ট্রাম্প কেন যে প্রেসিডেন্ট হিসেবে থেকে যেতে চাইছেন, তা তার বোধগম্য নয়।
রিপাবলিকান সিনেটর টেড ক্রুজসহ ১১ জন প্রভাবশালী সিনেটর অন্য আইনপ্রণেতাদের নিয়ে ৬ জানুয়ারি কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ঝামেলা পাকানোর প্রয়াস অব্যাহত রেখেছেন।
সিনেটর ক্রুজসহ অন্যদের দাবি, নির্বাচনে জালিয়াতি হয়েছে কি না, তা একটি কমিশন গঠন করে তদন্ত করা হোক। সে পর্যন্ত ইলেক্টোরাল ভোটের ফলাফল স্থগিত রাখা হোক। ভোটে অনিয়ম পাওয়া গেলে অঙ্গরাজ্য আইনপ্রণেতাদের ইলেক্টোরাল ভোট নিয়ে সিদ্ধান্তের দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জানান তারা।
৬ জানুয়ারি ঘিরে ওয়াশিংটন উত্তপ্ত হয়ে ওঠার লক্ষণ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ট্রাম্প পুরো আমেরিকা থেকে তার সমর্থকদের ওয়াশিংটন ডিসিতে জড়ো করছেন। প্রাউড বয়েজসহ অন্য রক্ষণশীল ট্রাম্প-সমর্থকেরা বড় ধরনের মহড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

