বনভোজনের বাসে আগুন: রক্ষা পেল অর্ধশতাধিক যাত্রী
উত্তরদক্ষিণ | শুক্রবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২১ | আপডেট : ১৫:১৫
ফরিদপুরের মধুখালীতে বনভোজনের বাসে আগুন লাগার ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন অর্ধশতাধিক যাত্রী। উপজেলার বাগাট খেলার মাঠ সংলগ্ন এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) মধ্যরাতের দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। তবে বাসের বেশির ভাগ অংশেই পুড়ে গেছে।
বাসের যাত্রী আরশাদ হোসেন জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কাটাখালী গ্রাম থেকে একদল যুবক সুন্দরবন বনভোজন করার উদ্দেশে আলিফ-মিম পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে করে রওনা দেয়। বাসটি বাগাট খেলার মাঠ এলাকায় পৌঁছালে পেছন দিকে আগুন জ্বলে ওঠে। আগুন ধরা মাত্রই গাড়িটি থামিয়ে দিয়ে যাত্রীদের নামিয়ে দেয়া হয়। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান প্রায় অর্ধশতাধিক যাত্রী। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন পুরো বাসটিতে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা পরে মধুখালী ফায়ার সার্ভিসকে জানালে তারা এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। কিন্তু এরই মধ্যে বাসের অধিকাংশ পুড়ে যায়।
মধুখালী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার টিটব সিকদার বলেন, ‘বাসে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। কিন্তু আমরা আসার আগেই বাসটির অনেক অংশ পুড়ে যায়। তবে আগুনে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।’
তিনি জানান, বাসের মধ্যে জেনারেটর দিয়ে সাউন্ড বক্স বাজানো হচ্ছিল। ওই জেনারেটর থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তাছাড়া গাড়িটির নতুন বডি ও রঙ করার ফলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
মধুখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তাহসিন বলেন, ‘খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করি। মহাসড়কের ওপর অগ্নিকাণ্ডের কারণে সড়কের দুপাশে যানজটের সৃষ্টি হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর যানজট নিরসন করা হয়।’
ক্ষতিগ্রস্ত আলিফ-মিম পরিবহনের মালিক নজরুল সিকদার বলেন, ‘গাড়িটির নতুন বডি করে আজই প্রথম রাস্তায় নামাই। অনেক টাকা খরচ করে গাড়িটি রাস্তায় দিলাম, কিন্তু প্রথম দিনেই এই অবস্থা। আর্থিকভাবে অনেক ক্ষতি হয়ে গেল।’

