ইন্ডিয়া থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা রপ্তানি ‘সাময়িকভাবে স্থগিত’
উত্তরদক্ষিণ | বৃহস্পতিবার, ২৫ মার্চ, ২০২১ | আপডেট: ১১:২৫
করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে থাকায় নিজস্ব চাহিদার কথা বিবেচনা করে সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার রপ্তানি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে ইন্ডিয়া। খবর দ্য গারডিয়ান, বিবিসি’র।
ইন্ডিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি লিখেছে, ‘সংক্রমণ যেহেতু বাড়ছে, সামনের দিনগুলোতে টিকার চাহিদাও বাড়বে। ফলে ইন্ডিয়ার নিজেরই ওই টিকা লাগবে।’
“ইন্ডিয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় আসন্ন দিনগুলোতে স্থানীয়ভাবে টিকার চাহিদা বাড়বে বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ। তাই ইন্ডিয়ার অভ্যন্তরে বেশি পরিমাণ টিকা সরবরাহ করার প্রয়োজন হতে পারে।”
খবরে বলা হয় ‘টিকা রপ্তানিতে, কর্তৃপক্ষের ভাষ্যমতে, সাময়িক সঙ্কোচন-এর ফলে এপ্রিলের শেষদিক পর্যন্ত টিকার যোগান প্রভাবিত হতে পারে।’
কোভ্যাক্স পরিকল্পনার অধীনে থাকা, অর্থাৎ কোভ্যাক্স ব্যবহার করা ১৯০টি দেশে ইন্ডিয়ার এই পদক্ষেপের ফলে প্রভাব পড়তে পারে বলেও উল্লেখ করা হয় বিবিসি’র খবরে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নেতৃত্বে পরিচালিত এই পরিকল্পনার উদ্দেশ্য সব দেশের জন্য ন্যায্যভাবে টিকার যোগান নিশ্চিত করা।
সিদ্ধান্তটি এমন সময় এলো যখন ইন্ডিয়া, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। বিবিসি জানায়, পহেলা এপ্রিল থেকে ৪৫ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য টিকা কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে ইন্ডিয়া। আর এই কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর টিকার চাহিদা বাড়বে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে টিকার রপ্তানি সাময়িকভাবে স্থগিতের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে ইন্ডিয়া সরকার বা সিরাম ইনস্টিটিউট আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।
বিবিসির খবরে আরও বলা হয়, তারা জানিয়েছে (ইন্ডিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র) এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত ভ্যাকসিনের যোগান ব্যহত হতে পারে, তবে মে মাসে অন্তত একটি ভ্যাকসিনকে জরুরি অনুমোদন দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

